শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
সর্বশেষ বিশেষ সংবাদ জাতীয় সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন বাণিজ্য লাইফস্টাইল লালমনিরহাট মতামত অন্যান্য

রংপুরের মিঠাপুকুরে এতিমখানা মাদ্রাসায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ


প্রকাশ : (৭ ঘন্টা আগে)
রংপুরের মিঠাপুকুরে এতিমখানা মাদ্রাসায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার লতিবপুর ইউনিয়নের তনকা এলাকায় অবস্থিত একটি মাদরাসা ও এতিমখানা শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রকে বলাৎকারের ঘটনায়, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে মিঠাপুকুর থানায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে  মামলা করেছেন। মিঠাপুকুর থানার ভারপ্রাপপ্ত কর্মকর্তা (ওসি ) তদন্ত মোঃ হাফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তারের অভিযান চলছে।
বুধবার (২৬ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে মাদ্রাসার আবাসিক ভবনে ডেকে নিয়ে ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থীকে  বলাৎকার করে এমন অভিযোগ উঠেছে একই শিক্ষকের বিরুদ্ধে। বলাৎকারকারী মাদরাসা শিক্ষক মোঃ রেজওয়ান উপজেলার লতিবপুর ইউনিয়নের তনকা এলাকার মনারুল ইসলামের ছেলে।
বলাৎকারের স্বিকার  শিক্ষার্থীর বাবা ও অভিযোগে জানা গেছে, ঘটনার দিন রাতে মাদরাসার খাতা মূল্যয়নের কথা বলে ভুক্তভোগী ছাত্রকে নিজের রুমে ডেকে নেয় শিক্ষক রেজওয়ান। তারপর সুযোগ বুঝে ওই ছাত্রকে জোরপূর্বক বলাৎকার করেন। এ সময় ওই ছাত্রের চিৎকারে মাদরাসার অন্যান্য শিক্ষার্থীরা ওই কক্ষের দিকে গিয়ে শিক্ষককে অস্বাভাবিক অবস্থায় দেখতে পায়। এমনটাই থানায় দেওয়া অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়াও ঘটনার একটি ভিডিও ক্লিপস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে ওই এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
 শিক্ষার্থীর পরিবারের দাবি, ঘটনার পর বিষয়টি মাদরাসা কর্তৃপক্ষকে জানানো হলে উল্টো ধামাচাপা দেওয়ার অপচেষ্টা করা হয়। পরে নিরুপায় হয়ে ন্যায্য বিচারের আশায় বৃহস্পতিবার বিকেলের দিকে মিঠাপুকুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন শিক্ষার্থীর বাবা।
ঘটনা সম্পর্কে জানতে অভিযুক্ত শিক্ষকের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়।  ঘটনার পর থেকে বলাৎকারকারী শিক্ষক মোঃ রেজওয়ান আত্মগোপনে থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মিঠাপুকুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)তদন্ত হাফিজুর রহমান জানান, ভুক্তভোগী ছাত্রের বাবা থানায় অভিযোগ দিয়েছে। ঘটনাটি খুবই গুরুত্বের সাথে তদন্ত চলছে। বলাৎকারীকে গ্রেপ্তার করাগেলে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যাবে।এবং বলাৎকারকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
 

বিজ্ঞাপন