অনেকেই মনে করেন শুধু ব্যায়াম করা বা স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়াই ফিট থাকার মূল উপায়। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, সুস্থ ও প্রাণবন্ত থাকতে হলে দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিবর্তন আনা সবচেয়ে জরুরি। সময়মতো খাবার খাওয়া, নিয়মিত ব্যায়াম, এবং পর্যাপ্ত ঘুম—এ তিনটির পাশাপাশি আরও কয়েকটি সকালের অভ্যাস আপনাকে সারাদিন সতেজ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
রাতে দেরি করে জেগে থাকা ও সকালে দেরিতে ঘুম থেকে ওঠা শরীরের প্রাকৃতিক জৈবিক ঘড়িকে ব্যাহত করে। তাই প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানো এবং ভোরে ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস ফিটনেস ধরে রাখার জন্য অত্যন্ত দরকারি।
ঘুম থেকে ওঠার পর খালি পেটে দুই গ্লাস পানি পান করুন। এতে শরীর হাইড্রেটেড থাকে এবং হজম শক্তি বাড়ে। চাইলে হালকা গরম পানিতে দারুচিনির গুঁড়া বা লেবুর রস মিশিয়ে খেতে পারেন, যা ইনসুলিন নিয়ন্ত্রণ ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক।
সকালের নাশতা বাদ দেওয়া উচিত নয়। নাশতায় প্রোটিন ও ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার রাখলে সারাদিন শক্তি ধরে রাখা সহজ হয়। নাশতায় ডিম, ওটস, আটার রুটি, টকদই, বা চিয়া সিডসের মতো খাবার রাখতে পারেন।
চিনি ও ময়দা দিয়ে তৈরি খাবার সকালে না খাওয়াই ভালো। এগুলো হঠাৎ রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়, যা পরবর্তীতে ক্লান্তি তৈরি করতে পারে। তাই এই ধরনের খাবার খাদ্যতালিকা থেকে যতটা সম্ভব কমিয়ে দিন।
অনেকেই খালি পেটে চা বা কফি পান করেন, যা শরীরে স্ট্রেস হরমোনের মাত্রা বাড়াতে পারে। তাই নাশতা করার পরই কফি পান করা স্বাস্থ্যকর।
সকালের কোমল রোদ শরীরে ভিটামিন ডি তৈরি করতে সাহায্য করে। সানস্ক্রিন ব্যবহার করেও ১০ মিনিট রোদে হাঁটা যেতে পারে। এতে জৈবিক ঘড়ির ছন্দ ঠিক থাকে এবং মনও চাঙা থাকে।