রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২
সর্বশেষ বিশেষ সংবাদ জাতীয় সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন বাণিজ্য লাইফস্টাইল আইন-আদালত মতামত অন্যান্য
/ লাইফস্টাইল

সঠিকভাবে ডিম খেলে মিলবে পূর্ণ আমিষ ও পুষ্টি


প্রকাশ :

সকালের নাশতায় একটি ডিম যোগ করা মানে দিনের শুরুটা পুষ্টিকরভাবে করা। সহজলভ্য এই প্রাণিজ আমিষ শুধু দামেই সাশ্রয়ী নয়, পুষ্টিতেও ভরপুর। ডিমে রয়েছে মানবদেহের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের অ্যামিনো অ্যাসিড, যা দেহে শক্তি ও কোষ গঠনে সাহায্য করে।

ঝটপট রান্না করা যায় এমন খাবারের তালিকায় ডিমের অবস্থান একদম শীর্ষে। সেদ্ধ, পোচ, ভাজা বা অমলেট—যেভাবেই রান্না হোক, প্রতিটি পদের পুষ্টিগুণ কিছুটা ভিন্ন। পুষ্টিবিদদের মতে, অতিরিক্ত তাপে রান্না করলে আমিষের গঠন শক্ত হয়ে যায়, ফলে শরীরে তা ঠিকভাবে শোষিত হয় না।

সেদ্ধ ডিম
তিন থেকে পাঁচ মিনিটে তৈরি সেদ্ধ ডিমে থাকে অটুট পুষ্টিগুণ। এতে তেলের ব্যবহার নেই, তাই বাড়তি ক্যালরির আশঙ্কাও কম। সহজপাচ্য এই খাবার শিশু থেকে বয়স্ক—সব বয়সের জন্য উপযুক্ত।

পানি পোচ
পানি পোচে ডিমের সাদা অংশ নরম থাকে, পুষ্টিগুণও অক্ষুণ্ণ থাকে। যেহেতু এতে তেল ব্যবহার হয় না, তাই ক্যালরির ভয়ও নেই।

তেলে ভাজা পোচ
তেলে পোচ করা ডিম থেকেও যথেষ্ট পুষ্টি পাওয়া যায়, তবে সাদা অংশ শক্ত হয়ে গেলে কিছুটা আমিষ নষ্ট হয়। তাছাড়া এতে যুক্ত হয় অতিরিক্ত তেল। তাই এমন পোচ খেলে দিনে বাকি সময়ে তেলযুক্ত খাবার কম খাওয়াই ভালো।

অমলেট
অমলেটেও ডিমের ভালো পরিমাণ আমিষ থাকে, তবে সেদ্ধ বা পোচের তুলনায় কিছুটা কম। কারণ, অমলেট তৈরি করতে ডিমকে তুলনামূলক বেশি সময় তাপে রাখতে হয়।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—ডিম রান্নার সময় যেন উচ্চ তাপ ব্যবহার না হয় এবং দীর্ঘসময় চুলায় না রাখা হয়। একবার ব্যবহৃত তেল পুনরায় ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকাও জরুরি।

আর চিকিৎসক যদি নিষেধ না করে থাকেন, তবে অবশ্যই কুসুমসহ পুরো ডিম খান। কারণ, কুসুমেই আছে ডিমের মূল পুষ্টি উপাদানগুলোর বড় অংশ—যা শরীরকে দেয় পূর্ণাঙ্গ আমিষ ও শক্তি।