সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২
সর্বশেষ বিশেষ সংবাদ জাতীয় সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন বাণিজ্য লাইফস্টাইল আইন-আদালত মতামত অন্যান্য
/ লাইফস্টাইল

ছোট হলেও স্বাস্থ্যকর স্ন্যাক কিশমিশ


প্রকাশ :

মিষ্টি ও ঝরঝরে এই ছোট শুকনো ফল কিশমিশ শুধু খাবারের স্বাদ বাড়ায় না, শরীরের যত্নেও রাখে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। অনেকেই কিশমিশ সারারাত ভিজিয়ে রেখে সকালে খান—এ অভ্যাসটা কিন্তু বেশ উপকারী।

কিশমিশে থাকে পলিফেনল ও নানা ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা শরীরের অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমিয়ে কোষকে সুরক্ষা দেয়। নিয়মিত কিশমিশ খেলে শরীরের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্ষমতা বাড়ে, ফলে বার্ধক্যের গতি কিছুটা কমে এবং দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি হ্রাস পায়।

এতে থাকা দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় ফাইবার হজমে সহায়তা করে এবং অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়া সক্রিয় রাখে। বিশেষ করে ভেজানো কিশমিশ খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়—জার্নাল অফ নিউট্রিশন অ্যান্ড হেলথেও এর প্রমাণ পাওয়া গেছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত কিশমিশ খেলে সিস্টোলিক রক্তচাপ কিছুটা কমে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস পায়। মাত্র এক মাস খাওয়ার মধ্যেই অনেকের রক্তচাপের মানে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা গেছে।

যদিও কিশমিশ ক্যালোরি-সমৃদ্ধ, তবুও এতে থাকা ফাইবার ও পলিফেনল রক্তে চিনির ওঠানামা নিয়ন্ত্রণে রাখে। এতে রয়েছে আয়রনসহ নানা মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট, যা হিমোগ্লোবিনের মান উন্নত করতে সাহায্য করে। তবে আয়রনের অভাবজনিত রক্তস্বল্পতার সমাধান হিসেবে একে একা নয়, আয়রনসমৃদ্ধ অন্যান্য খাবারের সঙ্গে খাওয়াই ভালো।

সব মিলিয়ে, কিশমিশ হতে পারে দারুণ একটি স্বাস্থ্যকর স্ন্যাক—যা একদিকে মিষ্টি খাওয়ার ইচ্ছে মেটায়, অন্যদিকে শরীরকেও দেয় প্রয়োজনীয় পুষ্টি। প্রতিদিন অল্প করে কিশমিশ খাওয়ার অভ্যাস শরীরের জন্য সত্যিই উপকারী।