ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী স্পষ্ট বলেছেন, সন্ত্রাসী এবং যাদের মদদে এসব তৎপরতা চালানো হয়—দুই পক্ষকেই একই দৃষ্টিতে দেখবে ভারত। তিনি জানান, পাকিস্তান সীমান্তে সন্ত্রাস অব্যাহত থাকলে তার পরিণতি নিজেদেরই বহন করতে হবে ইসলামাবাদকে।
সোমবার (১৭ নভেম্বর) এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি জানান, আলোচনা আর সন্ত্রাস একসঙ্গে চলতে পারে না—এ অবস্থানে ভারত অটল। তার ভাষায়, শান্তির পথে এগোতে চাইলে সন্ত্রাসে মদদ বন্ধ করতে হবে, নইলে কঠোর জবাব আসবেই।
অপারেশন সিন্দুরকে সামনে এনে তিনি ইঙ্গিত দেন, প্রয়োজনে ভারতীয় সেনাবাহিনী তাদের প্রতিবেশীকে দায়িত্বশীল আচরণ শেখাতে প্রস্তুত। তিনি বলেন, ভারত উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে, কিন্তু কেউ সেই পথে বাধা দিতে এলে ব্যবস্থা নিতেই হবে।
পাকিস্তানের পারমাণবিক হুমকির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ভারত এখন ব্ল্যাকমেইলে বিশ্বাস করে না। সন্ত্রাস মোকাবিলায় ভারতের ‘নিউ নরমাল’ নীতিই পাকিস্তানের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়িয়েছে বলে দাবি তার।
জেনারেল দ্বিবেদী জানান, রাজনৈতিক নেতৃত্ব এখন প্রতিরোধ সক্ষমতা বাড়াতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, আর দেশের সামরিক শক্তিও আগের তুলনায় আরও কার্যকর হয়েছে।
চীনের সঙ্গে উত্তেজনা নিয়েও তিনি মন্তব্য করেন। তার মতে, দুই দেশের নেতৃত্বের আলোচনার ফলে গত এক বছরে পরিস্থিতি কিছুটা সহজ হয়েছে।
জম্মু ও কাশ্মীরের প্রেক্ষাপট টানতে গিয়ে তিনি বলেন, ২০১৯ সালে ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের পর সেখানে রাজনৈতিক স্বচ্ছতা এসেছে এবং সন্ত্রাসী হামলাও কমেছে। পাশাপাশি মণিপুরের উন্নত পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে তিনি ইঙ্গিত দেন, দেশটির রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু শিগগিরই সেখানে সফর বিবেচনা করতে পারেন।