মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩
সর্বশেষ বিশেষ সংবাদ জাতীয় সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন বাণিজ্য লাইফস্টাইল লালমনিরহাট মতামত অন্যান্য

লালমনিরহাটে দুই মন্ত্রীর সামনে বিএনপির দুই পক্ষের মারামারি, আহত ৫


প্রকাশ : (১ ঘন্টা আগে)
লালমনিরহাটে দুই মন্ত্রীর সামনে বিএনপির দুই পক্ষের মারামারি, আহত ৫

লালমনিরহাটে জেলা বিএনপির মতবিনিময় সভায় ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু ও সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেনের উপস্থিতিতে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে হট্টগোল ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতিসহ পাঁচ নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন।
রোববার দিবাগত গভীর রাতে লালমনিরহাট জেলা পরিষদ মিলনায়তনে জেলা বিএনপি আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির সভাপতি ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। প্রধান অতিথি ছিলেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন। এ ছাড়া সংসদ  সদস্য ব্যারিস্টার হাসান রাজীব প্রধান ও সংসদ সদস্য রোকন উদ্দিন বাবুল উপস্থিত ছিলেন।
দলীয় নেতা-কর্মীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে লালমনিরহাট-২ আসনের এমপি রোকন উদ্দিন বাবুলের সঙ্গে তাঁর চাচাতো ভাই ও কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলমের রাজনৈতিক বিরোধ চলে আসছে। গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাহাঙ্গীর আলম মনোনয়ন না পাওয়ার পর দুই পক্ষের বিরোধ আরও প্রকাশ্য হয়।
মতবিনিময় সভায় জাহাঙ্গীর আলমের অনুসারী কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব আমিনুল ইসলাম এবং আদিতমারী উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব সালেকুজ্জামান প্রামাণিক রোকন উদ্দিন বাবুল এমপির সমালোচনা করে বক্তব্য দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এর প্রতিবাদে রোকন উদ্দিনের অনুসারীরা কথা বললে উভয় পক্ষের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতি ও মারামারিতে রূপ নেয়।
এ ঘটনায় পলাশী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হামিদুর রহমান, কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শামছুজ্জামান সবুজ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব আখেরুজ্জামান স্বাধীনসহ পাঁচজন আহত হন। হামিদুর রহমানকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর কমিউনিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যরা স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
লালমনিরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য রোকন উদ্দিন বাবুল বলেন, সভায় তাঁর বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যমূলক বক্তব্য দেওয়াকে কেন্দ্র করে নেতা-কর্মীদের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তাঁর সমর্থক হিসেবে পরিচিত কয়েকজনের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে এবং কয়েকজন আহত হন।
ঘটনার বিষয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাদ আহমেদ বলেন, জেলা বিএনপির সভায় উত্তেজনার খবর পেয়ে রাত পৌনে দুইটার দিকে পুলিশ সেখানে যায়। তবে তখন পরিস্থিতি শান্ত ছিল এবং সবাই চলে গিয়েছিলেন। কোনো পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

 

বিজ্ঞাপন