লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে খরিপ-২ মৌসুমে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ফসলের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনা মূল্যে বীজ ও সার ও ফলের চারা বিতরণ করা হয়েছে।
শনিবার (২০)জুন উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দীপ জন মিত্র'র সভাপতিত্বে,আনুষ্ঠানিকভাবে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন হাতীবান্ধা-পাটগ্রাম আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার হাসান রাজিব প্রধান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “বর্তমান সরকার কৃষিবান্ধব সরকার। উৎপাদন বৃদ্ধি ও কৃষকের ব্যয় হ্রাসে নিয়মিতভাবে বিভিন্ন প্রণোদনা প্রদান করা হচ্ছে। সময়মতো সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষকরা এবারের বোরো মৌসুমে ভালো ফলন পাবেন।”
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মোশাররফ হোসেন, সদস্য সচিব আফজাল হোসেন,সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম, সাহেদুজ্জামান কোয়েল,কৃষক দলের আহবায়ক আমিনুর রহমান,সদস্য সচিব মতিউর রহমান মতি প্রমুখ।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবীদ নুর ইসলামের তথ্যমতে,আমন ধান মোট ৪২০০ জন কৃষক সহায়তা পাবেন। প্রতি জন কৃষক ৫ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি, ১০ কেজি পটাশ সার পাবেন গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ:মোট ৩৪০ জন কৃষক সহায়তা পাবেন।প্রতি জন কৃষক ১ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি, ১০ কেজি পটাশ বালাইনাশক, পলিথিন সার পাবেন। ফলের চারা:মোট ৮৫০ জন কৃষক সহায়তা পাবেন।প্রতি জন কৃষক ৫ টি করে ফলের চারা, ১৫০কেজি জৈব সার, ৫ টি করে খুঁটি পাবেন।লেবু ফলের ক্ষেত্রে মোট ৬০ জন কৃষক সহায়তা পাবেন।প্রতি জন কৃষক ৫ টি করে লেবুর চারা, ৩০কেজি জৈব সার পাবেন।।সবজি প্রণোদনা:মোট ১৫০০ জন কৃষক সহায়তা পাবেন। প্রতি জন কৃষক ৭ ধরনের সবজি বীজের প্যাকেট (মোট ৩০০ গ্রাম), ১৫ কেজি ডিএপি, ১৫ কেজি পটাশ কেজি করে রাসায়নিক সার প্রদান করা হয়েছে। বীজ ও সার গ্রহণকারী কৃষকেরা জানান, সরকারি এ সহায়তা তাদের উৎপাদন ব্যয় কমানোর পাশাপাশি আসন্ন বোরো মৌসুমের চাষাবাদে আরও উৎসাহ যোগাবে।