রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২
সর্বশেষ বিশেষ সংবাদ জাতীয় সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন বাণিজ্য লাইফস্টাইল আইন-আদালত মতামত অন্যান্য
/ সারাদেশ

জমি জবরদখলের হুমকি, আদালতে ভূমি দর্স্যুর অভিযোগ !


প্রকাশ :

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় একই খতিয়ান দুইটি, একজনের খতিয়ানের একটি দাগ এবং মালিক হচ্ছেন চারজন অপরজনের খতিয়ানে তিনটি দাগ এবং মালিক হচ্ছেন তিনজন আসলে কোনটি সঠিক? আদালতের আদেশ অমান্য করে ক্ষেতের পাকা ধান কেটে নিয়ে জমি জবরদখলের আগাম হুমকির অভিযোগ আ: ছালাম গংদের বিরুদ্ধে আদালতে ভূমি দস্যুর অভিযোগ।  

প্রাপ্ত অভিযোগ সুত্রে জানাগেছে, উপজেলার সানিয়াজান ইউনিয়নের আরাজি শেখ সুন্দর গ্রামের মকবুল হোসেন ও ইসরাত আলী তাহাদের অংশের সম্পতি হইতে গত ০২/০৪/১৯৭৩ ইং তারিখে ৪২৩৫ নং দলিল ১২৮.৫ শতক জমি আব্দুল হাকিম গং ক্রয় করেন এবং পরবর্তিতে আব্দুল করিমের অংশের ৭৩ শতক জমি ০৯/১১/১৯৮২ ইং তারিখের ৮৯০৫ দলিল মূলে ক্রয় করেন। হাকিম দুইটি দলিল মূলে ২০১.৫ শতক জমি ভোগদখল করিয়া চাষাবাদ করিতে থাকেন এবং যথা সময়ে খাজনদি প্রদান করে নামজারি করেছেন,যাহার খারিজ খতিয়ান নং ৮০৫ হোল্ডিং নং ৮০৬। অপরদিকে জেলা রেকডরুমে ১৬৯ নং খতিয়ান কাটা ছেড়া হওয়ায় সুবাদে আ: ছালাম গং উক্ত জমির ১৬৯ খতিয়ান ভুয়া জাল জালিয়াতির মাধ্যমে খতিয়ান তৈরী করে ওই জমি দাবী করে আসছেন। তখন হাকিম গং নিরুপায় হয়ে আদালতে মামলা করেন। তখন আদালত জমির মামলা নিস্পতি না হওয়া পর্যন্ত হাকিম গংদের উক্ত জমি ভোগ দখলে বিঘœ সৃষ্টি করা হতে পারে, সেজন্য আ: ছালাম গংদেরকে অস্থায়ী নিষেধ করেন।

আব্দুল হাকিম গং এর কাছ থেকে প্রাপ্ত ১৬৯ নং খতিয়ানে শুধুমাত্র একটি দাগ এবং মালিক হচ্ছেন চারজন, যথাক্রমে ইসরাত আলী, আব্দুল করিম, মোসলেম উদ্দিন ও মোকবুল হোসেন, ।

আ: ছালাম অপর দিকে থেকে প্রাপ্ত ১৬৯ নং খতিয়ানে দেখা যায় তিনটি দাগ এবং মালিক হচ্ছেন, তিনজন যথাক্রমে জহুরুল, মকবুল, আরমান আলী মিয়া। ১৬৯ নং খতিয়ান দুইটি দাগ ও মালিক ভিন্ন ভিন্ন এ বিষয়ে জানতে চাইলে আ: ছালাম আমার খতিয়ানটি সঠিক। আমি ভুয়া খতিয়ান তৈরী করিনাই।

এ বিষয়ে বড়খাতা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা বিপুল কুমার রায় সত্যাহিত ফটোকপি আদালতে প্রেরন পূর্বক জানান, উক্ত মৌজার এসএ দাগ নং- ২০১৮, খতিয়ান নং- ১৬৯, জমির পরিমান, ২ একর ৫৭ শতক।