রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২
সর্বশেষ বিশেষ সংবাদ জাতীয় সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন বাণিজ্য লাইফস্টাইল আইন-আদালত মতামত অন্যান্য
/ সারাদেশ

রাজারহাটে স্বাক্ষর দিতে অস্বীকার করায় ষাটোর্ধ বৃদ্ধা লাঞ্ছিত


প্রকাশ :

কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ষাটোর্ধ বৃদ্ধার জমি জোরপূর্বক লিখে নিতে বসতবাড়িতে আক্রমণ চালিয়ছে প্রতিপক্ষরা।আক্রমণ চালিয়ে ষাটোর্ধ বৃদ্ধাকে লাঞ্ছিত করে উঠিয়ে নিয়ে যায় তারা।বৃদ্ধার ভাতিজা পরেশ চন্দ্র রায় বাঁধা দিলে তাকেও বৃদ্ধার সঙ্গেই ধরে নিয়ে যায় তারা।দুজনকেই ঘরের ভীতরে আটকে রেখে চালানো হয় পাশবিক নির্যাতন।স্বাক্ষর দিতে অস্বীকার করায় প্রতিপক্ষের সম্মিলিত এলোপাতাড়ি মারধরে রক্তাক্ত আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন পরেশ চন্দ্র রায়। ৯৯৯ কলে খবর পেয়ে রাজারহাট থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গ্রেফতার করে সুবিত চন্দ্র রায়কে।গতবৃহস্পতিবার(৪-সেপ্টেম্বর)বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে উপজেলার চাকিরপশার ইউনিয়নের ঠাটমারি(দিনোবাজার)এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।নির্যাতন শিকার বৃদ্ধা সুরোবালা অভিযোগ করে বলেন, প্রতিবেশী উৎপল চন্দ্র রায়, পংকজ চন্দ্র রায়, শেফালী রাণী ও তার স্বামী প্রদীপ চন্দ্র রায়সহ তাদের পরিবারের লোকজন দীর্ঘদিন ধরে তাদের জমি জবরদখলের চেষ্টা করে আসছে। এরই জেরে তারা কয়েকজন সহযোগী নিয়ে সুরোবালাকে বাড়ি থেকে উঠিয়ে নিয়ে গোপন কক্ষে আটকিয়ে রেখে জোরপূর্বক জমি লিখে নিতে স্টাম্পে স্বাক্ষর নেয়ার জন্য মারধর ও হুমকি দেয়।পরে বাড়ি ও বাগান দখলের উদ্দেশ্যে বেড়া দেওয়ার চেষ্টা চালানো হয়।বৃদ্ধা আরও বলেন,এসময় আমার ভাতিজা পরেশ চন্দ্র রায় বাধা দিলে তাকেও মারধর করে টেনে-হিঁচড়ে বাড়িতে নিয়ে গিয়ে আমার সাথে আটকে রাখে।আটক বৃদ্ধার নাতি জামাই মনোরঞ্জন জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে রাজারহাট থানা অফিসার ইনচার্জ(ওসি)মোঃ নাজমুল আলম ঘটনাস্থল থেকে বৃদ্ধা ও তার ভাতিজাকে উদ্ধার করে ও সুবিত চন্দ্র রায়কে গ্রেফতার করে পুলিশ।প্রতিবেশী ও প্রতিপক্ষ পরিবারের দ্বিজেন্দ্র নাথ রায়ের দাবি জমির মামলা আদালতে চলমান রয়েছে। ক্রয় সম্পত্তি নব্বইয়ের রেকর্ড আমাদের নামে হয়েছে।তারা রেকর্ড পরিবর্তনের মামলা করছে,আমরা সেখানে জবাব দিচ্ছি।তাদের একজন ওয়ারিশ জমি বিক্রি করে দিয়ে এখন ভারতে বসবাস করেন,আমার বাবা আমাদের আটভাইয়ের নামে ক্রয়কৃত জমির দলিল করে দিয়েছেন।রাজারহাট থানা অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মো: নাজমুল আলম বলেন আমি নিজেই ঘটনাস্থলে যায়, ঘটনাস্থলে আমরা একজনের গ্রেফতার করি,পরে নিয়মিত আইনে মামলা রুজু করে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।পাশাপাশি ষাটোর্ধ বৃদ্ধাসহ তার ভাতিজাকে উদ্ধার করা হয়েছে।আমরা অভিযোগ পেয়েছি,তদন্ত সাপেক্ষে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করেন ওসি নাজমুল আলম।