রংপুরের তারাগজ্ঞে চুরির অপবাদে মবসৃষ্টিকরে গণপিটুনিতে নির্মমভাবে হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন সমাবেশ করেছে দলিতপরিষদ।
শনিবার (১৬ আগস্ট) দুপুরে নগরীর প্রেসক্লাবের চত্ত্বরে বাংলাদেশ দলিতপরিষদের উদ্যোগে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের রংপুর জেলা সভাপতি অ্যাড.পলাশ কান্তিনাগ, সংগঠক সাজু বাসফোরসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা বলেন, দেশে মবতন্ত্র চলছে। মব তৈরীকওে মানুষের ঘরবাড়ি লুটপাট, দখল, মানুষহত্যা করা হচ্ছে। দেশের কোন নাগরিক যদি চুরিকরেও থাকে তবে তাকে মেরে ফেলার অধিকার কারো নাই। দেশের প্রচলিত আইনে তাদের বিচার হবে। কিন্তু গণপিটুনীদিয়ে প্রকাশ্যে তারাগঞ্জের কুর্শাইউনিয়নের ধনীরামপুর গ্রামের ঘনিরামপুর ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের রুপলাল ও প্রদীপকে মেরে ফেলা হলো। যেখানে পুলিশ নির্বিকার ছিল। ভিডিও ফুটেজে অসংখ্য মানুষের ছবি দেখা গেলেও ঘটনার ৭ দিনে পুলিশ মাত্র ৪ আসামীকে গ্রেফতার করেছে।
উল্লেখ্য, গত ৯ আগস্ট রাত সাড়ে ৯ টায় জেলার তারাগঞ্জ উপজেলার সয়ার ইউনিয়নের বুড়িরহাটে রূপলাল ও প্রদীপের ভ্যান থামিয়ে কিছুযুবক মদেও ব্যাগ কেড়ে নেয় এবং চোর চোর বলে চিৎকার করে। এ সময় স্থানীয়দের গণপিটুনীতে রুপলালের মৃত্যু হয়। পরে ১০ আগস্ট রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আহত প্রদীপ মারা যান। এ ঘটনায় রুপলালের স্ত্রী ভারতী রানী বাদী হয়ে ৫’শ থেকে ৭’শ জন অজ্ঞাতকে আসামী কওে তারাগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ১১ আগস্ট সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৪ আসামীকে গ্রেফতার করে। ১৩ আগস্ট রাতে তারাগঞ্জ থানার দুই এসআইসহ ৮ পুলিশকে সাময়িক বরখাস্ত করাহয়। সেই সাথে ১৪ আগস্ট গ্রেফতার ৪ আসামীর ৩ দিনকওে রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত।