চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর মোহনায় ফিশিং বোট ডুবির ঘটনায় আরও একজন নিখোঁজ জেলের মরদেহ উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। এ নিয়ে এ পর্যন্ত তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন আরও পাঁচজন।
রবিবার (১০ আগস্ট) সকালে আনোয়ারা উপজেলার ফকিরহাট বাজার সংলগ্ন সাঙ্গু নদীর তীরে ভেসে আসা মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত ব্যক্তির নাম মো. ফারুক (৪৫)। তিনি নোয়াখালীর সুধারাম উপজেলার নুরুন্নবী মিয়ার ছেলে।
এর আগে গত ৯ আগস্ট বিকেলে আরও দুই জেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। এখনো পাঁচজন নিখোঁজ রয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে কোস্ট গার্ড।
বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের সাঙ্গু স্টেশনের কন্টিনজেন্ট কমান্ডার খলিলুর রহমান জানান, সকালে স্থানীয়রা নদীর তীরে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে খবর দিলে আমরা গিয়ে উদ্ধার করি। পরে নিহত ফারুকের ছেলে এসে মরদেহটি শনাক্ত করেন। মরদেহটি আইনি প্রক্রিয়া শেষে নৌ পুলিশের মাধ্যমে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
নৌ পুলিশ বার আউলিয়া ঘাট ইনচার্জ কায়সার হামিদ বলেন, মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। নিখোঁজদের উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, নিখোঁজদের সন্ধানে সাঙ্গু স্টেশন, আউটপোস্ট নরম্যান্স এবং পতেঙ্গা স্টেশনসহ উচ্চগতির উদ্ধারকারী বোট এবং সমুদ্রে থাকা জাহাজের সমন্বয়ে তল্লাশি কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
ঘটনার পটভূমি
গত ৭ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) চট্টগ্রাম থেকে নোয়াখালী যাওয়ার পথে কর্ণফুলী নদীর খারীর মুখ এলাকায় এফবি অনিকা নামে একটি ফিশিং বোট চলন্ত একটি লাইটার ভ্যাসেলের সঙ্গে সংঘর্ষে ডুবে যায়। বোটটিতে ১৯ জন জেলে ছিলেন।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয় জেলে ও কোস্ট গার্ড সদস্যরা ১১ জনকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও ৮ জন নিখোঁজ ছিলেন। এদের মধ্যে এখন পর্যন্ত তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।