আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন—এএসআই এমদাদ হোসেন, কনস্টেবল রবিউল ইসলাম ও কনস্টেবল সাজেদুল ইসলাম। তাদের মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত যুবকের নাম সাব্বির হোসেন ওরফে দীপু (২৯)। তিনি টঙ্গীবাড়ি উপজেলার ছটফটিয়া গ্রামের হাজী আবুল কালাম তালুকদারের ছেলে।
পুলিশ জানায়, রোববার দুপুরে রামপাল কলেজে এইচএসসি পরীক্ষা শেষে শিক্ষার্থীরা বের হচ্ছিল। এ সময় কলেজের সামনে একটি প্রাইভেট কার (ঢাকা মেট্রো-গ ১৩-৭২০৮) ও একটি অটোরিকশার মধ্যে ধাক্কা লাগে। এ নিয়ে বাকবিতণ্ডা শুরু হলে প্রাইভেট কারে থাকা যুবক সাব্বির রিভলভার বের করে। বিষয়টি টের পেয়ে হাতিমারা তদন্তকেন্দ্রের দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা তাকে আটকানোর চেষ্টা করলে তিনি পুলিশের দিকে পরপর তিন রাউন্ড গুলি ছোড়েন। ধস্তাধস্তির সময় তিন পুলিশ সদস্য আহত হন।
পরে উপস্থিত ছাত্র-জনতা সাব্বিরকে ধরে মারধর করে এবং তার ব্যবহৃত প্রাইভেট কারটি ভাঙচুর করে। এ সময় একই গাড়িতে থাকা আরও তিনজন—মুকুল (৩৩), শাহাদাত হোসেন (৩৪) ও এক অজ্ঞাত ব্যক্তি পালিয়ে যান।
এ বিষয়ে মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম জানান, “গ্রেপ্তার যুবকের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক আইনে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাকে সোমবার আদালতে পাঠানো হবে।”