অধ্যাপক ইউনূস বলেন, “যদি তরুণরা রাজনীতিতে না আসে, তাহলে তারা নীতিনির্ধারণে প্রভাব ফেলতে পারবে না। তাই তাদের অংশগ্রহণ জরুরি।”
তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশের অনেক তরুণ আজও জীবনে একবারও ভোট দিতে পারেনি। গত ১৫ বছরে দেশে প্রকৃত ভোটাধিকার প্রয়োগ সম্ভব হয়নি। এমনকি তিনটি সরকারের সময়েও নির্বাচনে জালিয়াতি হয়েছে। এ অবস্থা পরিবর্তনে আমাদের নির্বাচন ব্যবস্থা ও রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কার দরকার।”
সাক্ষাৎকালে নরওয়ের প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও তরুণদের অংশগ্রহণ সম্পর্কে আগ্রহ দেখান। তারা জানান, বাংলাদেশের তরুণদের সঙ্গে কথা বলে তারা জেনেছেন, অনেকেই ভোট দিতেও পারেননি।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “বর্তমান সরকার চায় সবাই যেন সুষ্ঠু নির্বাচন করতে পারে, বিশেষ করে তরুণরা যেন তাদের ভোটাধিকার ব্যবহার করতে পারে।”
তিনি এটাও বলেন, “আমরা একটা কঠিন সময় পার করছি। আগের সরকারের রেখে যাওয়া অনেক সমস্যার সমাধান করতে হচ্ছে। তবে আমরা চাই এই সংকট খুব দ্রুত কাটিয়ে উঠতে।”
সাক্ষাতে নরওয়ের সমাজতান্ত্রিক, কনজারভেটিভ, গ্রিন পার্টি ও অন্যান্য দলের তরুণ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।