রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২
সর্বশেষ বিশেষ সংবাদ জাতীয় সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন বাণিজ্য লাইফস্টাইল আইন-আদালত মতামত অন্যান্য
/ সারাদেশ

'চলতি মাসেই কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামছে বিএনপি'


প্রকাশ :

সমকালের প্রথম পাতার খবর, 'চলতি মাসেই কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামছে বিএনপি'। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, এপ্রিল মাস থেকেই বিএনপি এবং তাদের সমমনা রাজনৈতিক দলগুলো আগামী সংসদ নির্বাচনের দাবিতে মাঠে নামবে।

তাদের মূল লক্ষ্য হলো সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করা এবং নির্বাচন আয়োজনের জন্য একটি স্পষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণা করা।

বিএনপি নেতারা দাবি করছেন, নির্বাচন সম্পর্কিত সরকারের বক্তব্যে অস্থিরতা এবং সময়ের মধ্যে পরিবর্তন দেশ ও বিদেশে নেতিবাচক বার্তা পাঠাচ্ছে।

তারা প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আবারও বৈঠক করবে এবং নির্বাচন শুরুর জন্য প্রয়োজনীয় সংস্কারের পর দ্রুত নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানাবে।

বিএনপি ও অন্যান্য দল নির্বাচনের জন্য সরকারের নিরপেক্ষতা আশা করছে। তারা বলছেন সরকার নির্বাচনের রোডম্যাপ না দিলে গণঅভ্যুত্থান ও জনবিক্ষোভের আশঙ্কা রয়েছে।

যদি সরকারের সময় বাড়ানো হয়, তা দেশের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে বলে মনে করছেন বিএনপি নেতারা।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বিএনপি এবং অন্যান্য দলগুলো ঐকমত্যের মাধ্যমে আন্দোলন চালাবে এবং নির্বাচনের রোডম্যাপ না দেওয়া হলে আন্দোলনের তীব্রতা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম 'Dhaka, Delhi to take ties on the right track' অর্থাৎ, 'সম্পর্ক সঠিক পথে নিয়ে যাবে ঢাকা, দিল্লি'

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ব্যাংককে অনুষ্ঠিত বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে এক সাইডলাইন বৈঠকে মিলিত হন।

দুই নেতা তাদের সম্পর্কের উন্নতি ও স্থিতিশীলতা নিয়ে আলোচনা করেন। অধ্যাপক ইউনূস মোদিকে বলেন, "বাংলাদেশ ভারতের সম্পর্ককে খুব গুরুত্ব দেয়।"

বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে গভীর বন্ধুত্ব ও ঐতিহাসিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করা হয়, বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের সহায়তার জন্য বাংলাদেশের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।

মোদি বলেন, ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে একটি গঠনমূলক, শান্তিপূর্ণ, এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সম্পর্ক চায়। তিনি এও জানান, ভারতের সম্পর্ক সবসময় জনগণের সঙ্গে ভিত্তি করে।

অধ্যাপক ইউনূস ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কাছে বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মন্তব্য নিয়ে উদ্বেগ জানান এবং ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করেন।

বৈঠকে সীমান্ত নিরাপত্তা, সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা, এবং তিস্তা নদী নিয়ে আলোচনা করা হয়।

দুজনই সীমান্তে মৃত্যুর সংখ্যা কমাতে এবং ভারতের জনগণের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে একসাথে কাজ করার গুরুত্ব উল্লেখ করেন।