রংপুরের পীরগঞ্জের সাবেক এমপি এমপি নুর মোহাম্মদ মন্ডলের বিনোদন কেন্দ্র ও সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দিয়েছেন আদালত। দুদকের পক্ষে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদক রংপুর সমন্বিত কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক রুবেল হোসেন রংপুরের সিনিয়র স্পেশাল জজ ফজলে খোদা মোঃ নাজিরের আদালতে নুর মোহাম্মদ মন্ডলের সব অস্থাবর-স্থাবর সম্পদ ক্রোক করা, সেই সঙ্গে তার নামে আটটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার আবেদন জানালে বিচারক আবেদন মঞ্জুর করেন।
সোমবার (১০ মার্চ) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) রংপুর সমন্বিত কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক রুবেল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
রংপুরের দুদক কর্মকর্তা রুবেল হোসেন জানান, এর আগে দুদকের পক্ষে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদক রংপুর সমন্বিত কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক রুবেল হোসেন রংপুরের সিনিয়র স্পেশাল জজ ফজলে খোদা মোঃ নাজিরের আদালতে নুর মোহাম্মদ মন্ডলের সব অস্থাবর-স্থাবর সম্পদ ক্রোক করা সহসই সঙ্গে তার নামে আটটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার আবেদন জানালে বিচারক আবেদন মঞ্জুর করেন।
দুদক রংপুর সমন্বিত কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক রুবেল হোসেন জানান,পীরগঞ্জে ৩১৩০.৭৩ একর জমির ওপর ‘আনন্দনগর’ নামে বিশাল পিকনিক স্পট কাম বেসরকারি বিনোদন কেন্দ্র রয়েছে। এ ছাড়াও বিভিন্ন ব্যাংকে আটটি হিসাবে অনেক টাকা গচ্ছিত আছে। তার নামে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদক আইনে মামলা রয়েছে, যার নম্বর ২৬/২০২০ইং।পিকনিক স্পট কাম বেসরকারি পর্যটনকেন্দ্র আনন্দনগর ক্রোক করে পীরগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমএ ফারুককে রিসিভার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তিনি সম্পদের জিম্মাদার থাকবেন। ক্রোকের সম্পত্তি কোনোভাবে অন্যত্র স্থানান্তর এবং হস্তান্তর করতে না পারে এবং ওই সম্পত্তি সংশ্লিষ্ট কোনো প্রকার লেনদেন বা ওই সম্পত্তিকে কোনোভাবে দায়মুক্ত করা আইন গত ভাবে নিষিদ্ধ করেছেন আদালত।
রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মন্ডল। তিনটি বড় রাজনৈতিক দলের আমলে অবৈধ সুযোগ নিয়ে অঢেল সম্পদ গড়েছেন।জাতীয় পার্টি, বিএনপি ও আওয়ামী লীগের রাজনীতি করার সুবাদে দু’বার এমপি এবং তিনবার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।