রংপুরে মধ্য পৌষে জেঁকে বসেছে শীত।গত দুইদিন ভর দেখা নেই সূর্যের। হিমেল হাওয়ায় হাড় কাঁপানো শীতে জন-জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। শীতের কারণে নগর জীবনের ব্যস্ততা বাড়ছে একটু দেরী করে।বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘর থেকে বাহির হচ্ছে না।হাড় কাঁপানো শীতের কারণে কাজ না পেয়ে বিপাকে পড়েছেন দিন খেটে খাওয়া মানুষ। শীতের প্রকোপে নাকাল হয়ে পড়েছে শিশু-বৃদ্ধসহ নানা বয়সী মানুষ ও গবাদী পশু। মানুষের ঘরে ঘরে জ¦র, সর্দি, কাশিসহ নানা রোগ ব্যধি বাড়ছে।রংপুরের আবহাওয়া অফিস বলছে,এমন পরিস্থিতি চলবে আরও দুই থেকে তিন দিন।
বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারী) সকালে হিমেল হাওয়া ও ঘন কুয়াশায় আবৃত ছিল রংপুরের চারপাশ। বেলা বাড়ার সাথে সাথে কুয়াশা কিছুটা কেটে গেলেও হিমেল হাওয়া কাবু করেছে মানুষকে। তাই সকাল ১০টাতেও জমেনি রংপুর নগর। মূল নগরীতে মানুষের আনাগোনা থাকলেও গ্রামীন সড়কগুলো প্রায় জনমানব শূন্য ছিল।গ্রামের মানুষেরা খড়কুটোর আগুন জ¦ালিয়ে শীত নিবারনের চেষ্টা চালিয়েছেন।
রংপুর আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ১১ দশমিক ৩ ডিগ্রী, রংপুরে ১২ দশমিক ৫, নীলফামারীর সৈয়দপুরে ১১ দশমিক ৮, ডিমলায় ১২ দশমিক ৫, কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ১১ দশমিক ৩, দিনাজপুরে ১০ দশমিক ২, ঠাকুরগাঁওয়ে ১১ দশমিক ১, লালমনিরহাটে ১২ দশমিক ৪ এবং গাইবান্ধায় ১২ দশমিক ৩ ডিগ্রী সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।
রংপুর আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ মোস্তাফিজার রহমান বলেন, আগামী দু-তিন দিন এমন আবহাওয়া বিরাজ করবে। এরপর পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হবে। তবে ৯ জানুয়ারীর পর থেকে তাপমাত্রা কমে ১০ ডিগ্রী সেলসিয়াসের নিচে নামার পূর্বাভাস রয়েছে।