রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২
সর্বশেষ বিশেষ সংবাদ জাতীয় সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন বাণিজ্য লাইফস্টাইল আইন-আদালত মতামত অন্যান্য
/ সারাদেশ

হাতীবান্ধায় কলেজের প্রধানের বিরুদ্ধে তথ্য গোপনের অভিযোগ


প্রকাশ :

তথ্য গোপন করার কারণে সরকারি করণ থেকে বঞ্চিত হয়েছে লালমনিরহাটের  হাতীবান্ধা উপজেলার এস এস  হাই স্কুল এন্ড টেকনিক্যাল কলেজ। এ বিষয়ে অভিযোগ করেছেন বিভিন্ন দপ্তরে ওই বিদ্যালয়ের সংযুক্ত টেকনিক্যাল কলেজের শিক্ষকবৃন্দ।

গত বুধবার বিকেলে হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর অভিযোগ করে বলেন ২০১৬ সাল বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারীকরণের ঘোষনা  আসলে হাতীবান্ধা উপজেলার একমাত্র স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এস এস হাই স্কুল এন্ড টেকনিক্যাল কলেজের নাম প্রস্তাব করা হয় সে সময় বিদ্যালয়টি পরিদর্শনে আসলে পরিদর্শন টিমকে তথ্য গোপন করে শুধুমাত্র এস এস উচ্চ বিদ্যালয়ের নাম অন্তর্ভুক্ত করে এস এস উচ্চ বিদ্যালয় এর সঙ্গে (বিএম)টেকনিক্যাল কলেজটির নাম গোপন রাখা হয়। এমন অভিযোগ করেছেন টেকনিক্যাল কলেজের শিক্ষক কর্মচারীবৃন্দ । 

এ বিষয়ে হাতীবান্ধা এস এস হাই স্কুল এন্ড টেকনিক্যাল কলেজের প্রভাষক শফিকুল ইসলাম হিরো বলেন, হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম তথ্য গোপন করার পাশাপাশি বিদ্যালয় পরিচালনার ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম করেছেন আমরা এর সুষ্ট তদন্ত করে ও তার শাস্তি দাবী করছি। 

অভিযোগে বিএম শাখার শিক্ষকগণ দাবি করে বলেন ২০১৬ সালে বিএম শাখাটি  জাতীয়করণ করার জন্য শাখার ১৬ জন শিক্ষক কর্মচারীর কাছ থেকে ৮ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা চাপ দিয়ে বুঝে নেন প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম প্রধান। পরবর্তীতে বিএম শাখাটি বাদ দিয়ে শুধুমাত্র এস এস উচ্চ বিদ্যালয়ের সরকারীকরণের গেজেট প্রকাশ হলে উক্ত বিএম শাখাটি সরকারি করণ থেকে বঞ্চিত হয়। পরবর্তীতে এ বিষয়ে রেজাল্ট করিম প্রধানের কাছে বিএম শাখার শিক্ষক কর্মচারীবৃন্দ বঞ্চিত হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে রেজাউল করিম প্রধান বিভিন্নভাবে বিএম শাখার শিক্ষকদের চাকরি থেকে বঞ্চিত করার হুমকি প্রদান করেন এবং কোন শিক্ষক কর্মচারী যাতে কোন ধরনের আইনি পদক্ষেপ নিতে না পারেন সেজন্য ফাঁকা  স্ট্যাম্পে জোর করে স্বাক্ষর নেন।

 অভিযোগ সূত্রে সংযুক্ত কাগজপত্রে দেখা যায় ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম প্রধানের দুর্নীতির চিত্র ভর্তি ও ফরম ফিলাপেও নিয়ম নীতির বাইরেও গ্রহণ করা হয় অতিরিক্ত টাকা এবং মাসিক বেতনেও অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হয়।

তবে এ বিষয়ে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম প্রধান বলেন,ওই সময়ে সরকারীকরণের জন্য যে টিম এসেছিল তাদের ফর্মে টেকনিক্যাল কলেজের সরকারীকরণের কোন ধরনের অপশন ছিল না। তাই সকল ধরনের চেষ্টা করেও টেকনিক্যাল কলেজটিকে সরকারীকরণের আওতায় আনা সম্ভব হয়নি।তারা যে অর্থ গ্রহনের কথা বলেছে সেটাকা তাদের ফিরৎ দেয়া হয়েছে এবং আমার বিরুদ্ধে যে  অর্থনৈতিক  অভিযোগ এনেছে আমি যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে হিসাব দিবো।

এবিষয়ে হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আতিকুল ইসলাম বলেন,আমি একটি অভিযোগ পেয়েছি। তবে তদন্তের সাপেক্ষে  বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখার জন্য মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে নির্দেশ দিয়েছি।