বীর মুক্তিযোদ্ধারা কালের শ্রেষ্ঠ সন্তান। তারা কারো দয়া ও দক্ষিণ্য নিয়ে বেঁচে থাকতে চায় না। বাংলার প্রতিটি পড়তে পড়তে বীরমুক্তিযোদ্ধাদের রক্তের দাগ লেগে আছে। মানবতা বিরোধীদের বিরুদ্ধে সদা জাগ্রত থাকতে হবে। তাদেরকে রুখে দাঁড়াতে হবে।বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানী ভাতার সাথে অন্য কারো ভাতার তুলনা হতে পারে না। মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের চেতনা হৃদয়ে ধারণ করে দেশের সার্বিক কল্যাণে আত্মনিয়োগ করবে।
গত ৪ জুলাই দুপুরে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা মৈত্রী সংসদের আয়োজনে ও বঙ্গীয় সাহিত্য সাংস্কৃতি সংসদের সার্বিক সহযোগিতায় মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর পরিদর্শন ও মত বিনিময়ের সময় মুক্তিযোদ্ধা নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন।
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি ও সদস্য সচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা মফিদুল হক।
সভাপতিত্ব করেন মুক্তিযোদ্ধা মৈত্রী সংসদের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আবু হায়াত হেদায়েত।আলোচনায় সভায় বক্তব্য রাখেন বঙ্গীয় সাহিত্য ও সংস্কৃতি সংসদের সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম। চলচ্চিত্র নির্মাতা বীর মুক্তিযোদ্ধা কাওসার চৌধুরী, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাম্মেল হক বীর প্রতীক, বীর মুক্তিযোদ্ধা এস এম শফিকুল ইসলাম কানু গেরিলা লিডার'৭১ বীর মুক্তিযোদ্ধা জয়ন্তী রানী রায়, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফরিদা আকতার, বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহবুব জামান,বীর মুক্তিযোদ্ধা রাজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী,বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুজ্জামান চৌধুরী, বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ রবিউল ইসলাম,বীরমুক্তিযোদ্ধা সাদেকুর রহমান,বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল হক শিকদার প্রমূখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা নাজিম উদ্দীন গেরিলা।
বীর মুক্তিযোদ্ধারা মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে স্থাপিত শিখা অম্লানে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। শহীদদের আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। সমবেত কন্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশিত হয়।
এতে বীর মুক্তিযোদ্ধা, তাদের পরিবারবর্গ,শহিদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য,আমন্ত্রিত ব্যক্তিবর্গ, বঙ্গীয় সাহিত্য সংস্কৃতি সংসদের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।