নতুন সরকার বিদ্যুৎ খাতে বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। দেশি ও বিদেশি কোম্পানির কাছে ৪৫ হাজার কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে, যা গরম ও সেচ মৌসুমে লোডশেডিং ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। বর্তমানে চাহিদা ১৩ হাজার মেগাওয়াটের কাছাকাছি, সর্বোচ্চ ১৮ হাজার মেগাওয়াট হতে পারে।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, পরিস্থিতি সামাল দিতে ‘ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট’ করতে হবে। বেসরকারি কোম্পানিগুলোর বিল বকেয়া চলমান থাকায় তেল আমদানিতে বিলম্ব হতে পারে, যা গরমে লোডশেডিং বাড়াতে পারে।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মো: রেজাউল করীম জানাচ্ছেন, বকেয়া ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। সাবেক উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান বলছেন, এটি টাকার অভাবে, কোনো ইচ্ছাকৃত কর্মকাণ্ড নয়।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, আমদানি করা তেল ও এলএনজি ছাড়া বিদ্যুৎ উৎপাদন কঠিন হবে। পুরো এনার্জি খাতে প্রায় ২৫ বিলিয়ন ডলারের প্রয়োজন, যা ছাড়া চাহিদা পূরণ কঠিন।(বিবিসি বাংলা)