বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩
সর্বশেষ বিশেষ সংবাদ জাতীয় সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন বাণিজ্য লাইফস্টাইল আইন-আদালত মতামত অন্যান্য
/ জাতীয়

তিস্তা সেতুরক্ষা বাঁধের ভাঙ্গন পরিদর্শনে এলজিইডি প্রধান কার্যালয়ের প্রতিনিধিরা


প্রকাশ :

রংপুরের গঙ্গাচড়ায় উজানের পানির ঢলে ভাঙ্গনের কবলে পড়া তিস্তা সেতু রক্ষা বাঁধ পরিদর্শন করেছেন এলজিইডি প্রধান কার্যালয়ের তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল|

বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে এলজিইডি প্রধান কার্যালয়ের তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ভাস্কর কান্তি চৌধুরী, ভবন ব্যবস্থাপনা ও সেতু বাস্তবায়ন শাখার তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এবাদত আলী ও নির্বাহী প্রকৌশলী তাপস চক্রবর্তী গঙ্গাচড়া উপজেলার লহ্মীটারী ইউনিয়নে ভাঙ্গন কবলিত তিস্তাসেতু রক্ষা বাঁধ পরিদর্শন করেন| এরপর তারা বাঁধ রক্ষায় বাঁশ দিয়ে পাইলিং করে নির্মাণ করা স্পার ও নৌকায় করে তিস্তা নদীর কয়েকটি স্থান পরিদর্শন করেন|প্রতিনিধি দল নদীর গতি-প্রকৃতি,ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ও সম্ভাব্য ক্ষয়-ক্ষতি নিয়ে স্থানীয় অধিবাসী ও জনপ্রতিনিধিদের সাথে আলোচনা করেন|

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আহসান হাবীব, নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম, এলজিইডি রংপুর অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মূসা, গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার, লহ্মীটারী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হাদী, গঙ্গাচড়া উপজেলা বিএনপি নেতা ওয়াহেদুজ্জামান মাবুসহ অন্যরা|

পরিদর্শনকালে এলজিইডি’র উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দ্রুত বিশেষজ্ঞ দলের মতামতের প্রেক্ষিতে তিস্তা সেতুরক্ষা বাঁধে ভাঙ্গন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়ার আশ^াস দেন| সেই সাথে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহযোগিতায় চলমান ভাঙ্গন ঠেকাতে কাজ করার কথা জানানো হয়|

এলজিইডি’র তত্ববাবধায়ক প্রকৌশলী এবাদত আলী বলেন, গত বছর বুয়েটের একজন প্রকৌশলী তার গবেষণালব্ধ জ্ঞানের আলোকে মাত্র ১০-১২ লাখ টাকা ব্যয় করে বাঁশ পাইলিং করে তিস্তা সেতুরক্ষা বাঁধ রক্ষায় কাজ করেছেন| নদীতে প্রটেকশন কাজের জন্য এ বাজেট খুবই সামান্য| এটি চলতি বছর নদীর তীব্র স্রোত থেকে বাঁধকে কিছুটা হলেও রক্ষা করেছে| যেহেতু এ বছরও সেতুরক্ষা বাঁধে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে তাই আমরা পরির্দশনে এসেছি| আগামী এক-দুই সপ্তাহের মধ্যে বুয়েটের নদী বিশেষজ্ঞদের নিয়ে নদী এলাকা পরিদর্শন করে ভাঙ্গন রোধে কাজ করা হবে| এছাড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে আলোচনার প্রেক্ষিতে ভাঙ্গন রোধে তাৎক্ষনিক কি পদক্ষেপ গ্রহণ করা যায় সেটি নিয়ে আলোচনা চলছে|

এদিকে উজানের পানির ঢলে ও প্রবল বৃষ্টিপাতে তিস্তা নদীতে বৃদ্ধি পাওয়া পানি পানি কমতে শুরু করেছে| রংপুরের পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, বুধবার বিকেল ৩টায় তিস্তা নদীর ডালিয়া পয়েন্টে পানি বিপদসীমার ১৪ সেন্টিমিটার এবং কাউনিয়া পয়েন্টে ৩১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে|