বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩
সর্বশেষ বিশেষ সংবাদ জাতীয় সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন বাণিজ্য লাইফস্টাইল আইন-আদালত মতামত অন্যান্য
/ জাতীয়

বাংলাদেশে এমপি হলে কী সুবিধা পাওয়া যায়?


প্রকাশ :

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের ১৭ই ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার শপথ পাঠ করিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন।

মঙ্গলবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে বিএনপির এমপিদের শপথ পড়ানো হয়।

পরে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় এবং অন্য দলগুলো থেকে নির্ভাচিত সংসদ সদস্য এবং স্বতন্ত্র এমপিরা শপথ নেন।

সাধারণত নির্বাচনের ফলাফল সরকারিভাবে প্রকাশ বা গেজেট প্রকাশের তিনদিনের মধ্যে শপথ পড়ানো হয়।

সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ানোর কথা জাতীয় সংসদের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের।কিন্তু চব্বিশের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর পরিবর্তিত পরিস্থিতে সংসদ নেই, স্পিকারও নেই। এমনকি ডেপুটি স্পিকারও কারাগারে।

তাই এবার সংসদ সদস্যদের শপথ পড়িয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।

বাংলাদেশে একজন সংসদ সদস্য বেতন-ভাতাসহ নানা ধরণের সুযোগ সুবিধা ভোগ করেন। তার হাতে থাকে নানা ধরণের ক্ষমতা।বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী একজন সংসদ সদস্য যেসব সুযোগ-সুবিধা পান সেগুলো হচ্ছে -

১. সংসদ সদস্যদের মাসিক বেতন ৫৫,০০০ টাকা

২. নির্বাচনী এলাকার ভাতা প্রতিমাসে ১২,৫০০ টাকা

৩. সম্মানী ভাতা প্রতিমাসে ৫,০০০ টাকা

৪. শুল্কমুক্তভাবে গাড়ি আমদানির সুবিধা

৫. মাসিক পরিবহন ভাতা ৭০,০০০ টাকা

৬. নির্বাচনী এলাকায় অফিস খরচের জন্য প্রতিমাসে ১৫,০০০ টাকা

৭. প্রতিমাসে লন্ড্রি ভাতা ১,৫০০ টাকা

৮. মাসিক ক্রোকারিজ, টয়লেট্রিজ কেনার জন্য ভাতা ৬,০০০ টাকা

৯. দেশের অভ্যন্তরে বার্ষিক ভ্রমণ খরচ ১২০,০০০ টাকা

১০. স্বেচ্ছাধীন তহবিল বার্ষিক পাঁচ লাখ টাকা

১১. বাসায় টেলিফোন ভাতা বাবদ প্রতিমাসে ৭,৮০০ টাকা

১২. সংসদ সদস্যদের জন্য সংসদ ভবন এলাকায় এমপি হোস্টেল আছে।

এছাড়া ২০১৫ -২০১৯ সাল পর্যন্ত একজন সংসদ সদস্য প্রতিবছর চার কোটি টাকা করে থোক বরাদ্দ পাবেন। এই থোক বরাদ্দের পরিমাণ আগে ছিল দুই কোটি টাকা।বাংলাদেশে দুর্নীতি এবং সুশাসন নিয়ে গবেষণা করে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ। সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বিবিসিকে বলেন, থোক বরাদ্দের টাকা একজন সংসদ সদস্য তার নিজের পছন্দ মতো উন্নয়ন প্রকল্পে খরচ করতে পারেন।

তিনি কোন প্রকল্পে এ টাকা খরচ করবেন সেটি সম্পূর্ণ তার এখতিয়ার।

দেখা গেছে, বিভিন্ন সময় নানা প্রকল্পে প্লট-ফ্ল্যাট বরাদ্দের ক্ষেত্রে সংসদ সদস্যরা অগ্রাধিকার পেয়েছেন। (সূত্র: বিবিসি)