শেখ হাসিনা সরকারের পতনের ১৮ মাস পর আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হতে যাচ্ছে—২০০৮ সালের পর এটিই প্রথম সত্যিকারের প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন। আশঙ্কা ছিল সহিংসতার, কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে তুলনামূলক শান্ত পরিবেশ বজায় থাকায় ভোটের পথে বড় অস্থিরতা দেখা যায়নি।
নির্বাচনে মূল লড়াই বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীকে ঘিরে। বর্তমান হিসাবে বিএনপিই এগিয়ে রয়েছে, যদিও অতীতের শাসনামল নিয়ে দুই দলের বিরুদ্ধেই প্রশ্ন আছে। তবু দুই বছর আগের সংকটের তুলনায় বর্তমান পরিস্থিতি নিঃসন্দেহে বড় অগ্রগতি—এটি উদ্যাপনের মতো অর্জন।
তবে সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ। অর্থনীতিতে কাঠামোগত সংস্কার জরুরি, বিশেষ করে এলডিসি থেকে উত্তরণের পর বাণিজ্য সুবিধা কমে যাওয়ার বাস্তবতায়। রাজস্ব আদায় বাড়ানো, দুর্নীতি দমন ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমানোও অপরিহার্য।( সূত্র: ইত্তেফাক)
ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক নতুন করে ভারসাম্যপূর্ণভাবে সাজাতে হবে। একই সঙ্গে সাংবিধানিক সংস্কার বাস্তবায়ন এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়াও পরবর্তী সরকারের বড় পরীক্ষা হবে।
বাংলাদেশিরা তাদের বিপ্লব নিয়ে গর্ব করতে পারেন। কিন্তু আসল কাজ—নতুন বাংলাদেশ গড়া—এখনই শুরু হচ্ছে।