বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩
সর্বশেষ বিশেষ সংবাদ জাতীয় সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন বাণিজ্য লাইফস্টাইল আইন-আদালত মতামত অন্যান্য
/ জাতীয়

যমুনার সামনে বিক্ষোভে জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার, গুলি চালানো হয়নি


প্রকাশ :

শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেল থেকে ইনকিলাব মঞ্চের ব্যানারে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার সামনে বিক্ষোভ শুরু হয়। ওই এলাকা ও আশপাশে আগে থেকেই সব ধরনের সভা-সমাবেশ ও বিক্ষোভ নিষিদ্ধ থাকলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রথম দিন কোনো ধরনের বলপ্রয়োগ করেনি।

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) পরিস্থিতি ভিন্ন মোড় নেয়। বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে যমুনার দিকে এগোতে থাকলে এবং একপর্যায়ে জলকামানের ওপর উঠে পড়লে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ স্পষ্ট করেছে, এ সময় কোনো ধরনের গুলি চালানো হয়নি।

রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা ও এর সংলগ্ন এলাকায় প্রধান উপদেষ্টার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যেকোনো ধরনের মিছিল, সমাবেশ বা গণজমায়েত নিষিদ্ধ রয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে পুলিশ নিয়মতান্ত্রিকভাবে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করেছে বলে জানানো হয়েছে। ডিএমপি বলছে, কোনো প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করা হয়নি।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সংঘর্ষে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবেরসহ ২৩ জন আহত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, কারও শরীরে গুলির আঘাত পাওয়া যায়নি।

সরকার পুনরায় বলেছে, শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জাতিসংঘের অধীনে তদন্তের আইনি দিক পর্যালোচনা চলছে এবং রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট সংস্থার কাছে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হবে।

বিক্ষোভকারীদের ওপর অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের যে অভিযোগ উঠেছে, সরকার তা নাকচ করেছে। একই সঙ্গে আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে সবাইকে ধৈর্য, সংযম ও দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সরকার বলছে, এই নির্বাচন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। তাই শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে সব পক্ষের সহযোগিতা প্রয়োজন।