বাংলাদেশ সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে গ্রামীণ রাস্তায় কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্পের নির্দিষ্ট সময় পেড়িয়ে গেলেও দৃশ্যমান হয়নি নতুন কালভার্ট। ইতোমধ্যে কালভার্ট নির্মাণের বর্ধিত সময় অতিক্রম করেছে।
অথচ নতুন কালভার্ট নির্মাণের জন্য পুরোনো কালভার্টটিও নিলাম দেয়া হয়েছে দেড়বছর আগে।দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রান মন্ত্রণালয়ের ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে ১৯ লাখ ৪৩ হাজার ৭৭০ টাকায় ১৫ মিটার দৈর্ঘ্যের কালভার্টটি।রাজারহাট উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার তত্ত্বাবধায়নে কালভার্ট নির্মাণ কাজের এমন জন দুর্ভোগের চিত্র দেখা গেছে ঘড়িয়াল ডাঙ্গা ইউনিয়নের জামালের স্কুল হইতে গতিয়াশম মৌজাগামী আশরাফুলের জমি সংলগ্ন জনগুরুত্বপূর্ণ একটি সড়কে।
নতুন কালর্ট নির্মাণ কাজের জন্য পুরোনো কালভার্ট নিলাম ও অপসারণ করে নতুন করে দায়সারাভাবে সাঁকো ও সংযোগ রাস্তা তৈরি। সেই রাস্তা ও সাঁকো তৈরির একবছরেও এলাকাবাসীর কাঙ্ক্ষিত নতুন কালভার্ট নির্মাণ কাজ দৃশ্যমান হয়নি।
জানা গেছে,দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রান মন্ত্রণালয়ের ২ কোটি ১২ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নয়টি কালভার্ট নির্মাণের প্যাকেজটি পেয়েছেন চিলমারী উপজেলার বাসিন্দা ঠিকাদার নুর আলম মিয়া। গতিয়াশম নিবাসী মোফাজ্জল হোসেন বলেন দীর্ঘদিন ধরে কালভার্টের কাজ না হওয়ায় ভোগান্তিতে পরতে হচ্ছে।বাড়ীতে অটোরিকশা পর্যন্ত যেতে পারেনা। বর্ষাকালে স্কুল ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের চলাচলে বিপদের আশংকা।অনেকসময় বাচ্চারা পানিতে ভিজে বাড়ীতে ফিরে যায়।
স্থানীয় গৃহিণী মনোয়ারা বেগম বলেন বেশিরভাগ সময় বাচ্চারা পানিতে পড়ে যায়। কয়েকদিন আমি বাচ্চারা বাঁশের চাংরা থেকে পড়ি যাওয়া সওয়াক তুলছি। আইজুল ইসলাম বলেন,একবছর আগে পুরোনো কালভার্ট নিলাম করা হলেও এখনো কাজ শুরুই করেনি।নিয়মিত প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থীসহ শতশত মানুষের চলাচলের পথে এ ভোগান্তি।
মুসরুত নাখেন্দা নেছাবিয়া নুরানি মাদ্রাসায় শিক্ষক হাফেজ মাওলানা কাউছার মাহমুদ বলেন কালভার্টের অভাবে প্রতিনিয়ত ভোগান্তি পথচারীদের। আমাদের শিক্ষার্থীরাও ভোগান্তিতে পড়ছে।পুরোনো কালভার্ট অপসারণকালে নামমাত্র বাঁশের সাকো দেয়া হয়েছে ও বাইপাস সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে যাহা চলাচলের অনুপযোগী। এখন গ্রামের লোকজনের থেকে বাশ সংগ্রহ করে বাঁশের সাঁকো তৈরি চেষ্টা করছি।