কুড়িগ্রামের রাজারহাটে চলাচলের একমাত্র কাঠের সাঁকো ভেঙে পারাপারে ভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছে গ্রামবাসীর।বিকল্প সড়কের ব্যবস্থা না থাকায় ঝুঁকি নিয়ে পারাপারে বাধ্য হচ্ছে বসবাসকারী মানুষ।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন(বিএমডিএ)খালের উপরে একটি নতুন ব্রীজ কিংবা কালভার্ট নির্মাণ করা হলে থাকবেনা চলাচলে গ্রামবাসীর ভোগান্তি।সাঁকোটি রাজারহাট উপজেলার নাজিমখান ইউনিয়নের বাছড়া ঈদগাহ মাঠের পাড় সংলগ্ন বিএডিসির খালের উপরে জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের(বিএমডিএ)খাল খননে সময়ে পানি প্রবাহের জন্য খালের গভীরতা বৃদ্ধি করা হয়েছে।বর্ষার পানি প্রবাহের সঙ্গে সঙ্গে সাঁকোর নিচের সিঁড়ির গোরার মাটি ধুয়ে গিয়ে সিঁড়ি নরবড় করেছিলো সেসময়ে স্থানীয়দের সহযোগিতায় সাঁকোটি মেরামত করা হয়েছিলো।
স্থানীয়রা আরো বলেন,সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জামাল উদ্দিন বিএমডিএ'র খালের উপরে চলাচলের জন্য তৈরি করে কাঠের সাঁকো।দীর্ঘ সময় অতিক্রম করলেও সরকারি উদ্যোগে নির্মাণ করা হয়নি ব্রীজ কিংবা কালভার্ট।
গতবছরেও স্থানীয় লোকজন ও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুল মালেক পাটোয়ারীর অর্থায়নে চলাচলের জন্য পুনরায় মেরামত করা হয়েছিলো সাঁকো।বর্ষার পানির তোড়ে আবারো সাঁকোর খুঁটি ভেঙে অচল হয়ে যায়।
বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ(বিএমডিএ)কুড়িগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী ড.মো: এজাদুল ইসলাম বলেন এইমহুর্তে আমাদের ব্রীজ কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্প নেই।জন দুর্ভোগ লাগবে রাষ্ট্রীয় অর্থায়নে যে কেউ ব্রীজ কালভার্ট নির্মাণ করতে পারেন।
ব্রীজ কিংবা কালভার্ট নির্মাণে অনাপত্তিপত্র পেলে আমরা প্রস্তাব পাঠাতে পারবো এমন মন্তব্য করেন রাজারহাট উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো:আসাদুজ্জামান।পনেরো মিটারের বেশি দৈর্ঘ্য হলে আমাদের পক্ষে সম্ভব হবেনা ব্রীজ কালভার্ট নির্মাণ করা।
জানতে চাইলে কুড়িগ্রাম এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী মো: সাইফুল ইসলাম বলেন আমরা উপজেলা প্রকৌশলীসহ ভেরিফাই করে দেখবো কোথাও ব্রীজ নির্মাণের প্রস্তাব আছে কি না।দেখি উপজেলা থেকে যাচাই-বাছাই করে কি করা যায়।
এবিষয়ে ২৬ কুড়িগ্রাম ২ আসন সংসদ সদস্য ড. মো: আতিকুর রহমান মোজাহিদ বলেন বিষয়টির ওপরে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো ইনশাআল্লাহ।সামনের বাজেটে আমরা এটি কাউন্টিং করবো এবং জন দুর্ভোগ লাগবে কাজ করা হবে।