মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
সর্বশেষ বিশেষ সংবাদ জাতীয় সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন বাণিজ্য লাইফস্টাইল লালমনিরহাট মতামত অন্যান্য

জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিটি প্রতিশ্রুতি ও অঙ্গীকার আমরা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করব: তারেক রহমান


প্রকাশ : (৫ মাস আগে)
জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিটি প্রতিশ্রুতি ও অঙ্গীকার আমরা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করব: তারেক রহমান

৭১-এর স্বাধীনতাযুদ্ধ থেকে ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তারেক রহমান বলেছেন, ‘বিএনপি রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা রূপরেখা ঘোষণা করেছিল। জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিটি প্রতিশ্রুতি ও অঙ্গীকার আমরা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করব।’

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল বিজয় অর্জনের পর প্রথম সংবাদ সম্মেলনে এসে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, ‘দেশে গণতান্ত্রিক জনগণের প্রতি আমার আহ্বান—আসুন, যেভাবে আমরা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে ভূমিকা রেখেছিলাম, একইভাবে এবার দুর্নীতি রোধ, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ এবং জনগণের প্রতি জবাবদিহিতার মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি নিরাপদ ও মানবিক দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠায় নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখি। একটি নিরাপদ, মানবিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার যাত্রাপথে আমি ভিন্ন দল কিংবা ভিন্নমতের সবার সহযোগিতা কামনা করছি।’

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের ফলাফলকে ‘গণতন্ত্র ও বাংলাদেশের বিজয়’ উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ‘শত প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করে আমরা দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করেছি। ফ্যাসিবাদের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর অর্থনীতি, অকার্যকর সাংবিধানিক ও বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান এবং দুর্বল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে আমাদের যাত্রা শুরু করতে হচ্ছে।’

নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সব রাজনৈতিক দলকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ও রাজনীতিতে রাজনৈতিক দলগুলো গণতন্ত্রের বাতিঘর। সরকার ও বিরোধী দল নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করলে দেশে গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পাবে। আমাদের পথ ও মত ভিন্ন থাকতে পারে, কিন্তু দেশের স্বার্থে আমরা সবাই এক। জাতীয় ঐক্য আমাদের শক্তি, বিভাজন আমাদের দুর্বলতা।’

অন্তর্বর্তী সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘জনমনে সৃষ্ট সব সংশয় কাটিয়ে শেষ পর্যন্ত দেশে শান্তিপূর্ণভাবে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিচারিক কর্মকর্তা, প্রশাসন, সশস্ত্র বাহিনী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং প্রিসাইডিং ও পোলিং কর্মকর্তাদের আন্তরিকতা ছাড়া এটি সম্ভব হতো না।’

বিজ্ঞাপন