শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬, ১৩ চৈত্র ১৪৩২
সর্বশেষ বিশেষ সংবাদ জাতীয় সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন বাণিজ্য লাইফস্টাইল আইন-আদালত মতামত অন্যান্য
/ বিনোদন

বক্স অফিসে দাপট ‘অ্যাভাটার ৩’: ১৪ দিনেই আয় ৭৬০ মিলিয়ন ডলার


প্রকাশ :

কিংবদন্তি নির্মাতা জেমস ক্যামেরনের বহুল প্রতীক্ষিত বিজ্ঞান কল্পকাহিনি সিরিজের তৃতীয় কিস্তি ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ মুক্তির পর থেকেই বিশ্বজুড়ে বক্স অফিসে শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছে। মুক্তির মাত্র ১৪ দিনের মধ্যেই সিনেমাটি বিশ্বব্যাপী আয় করেছে ৭৬০ মিলিয়ন ডলার, যা এটিকে চলতি বছরের আলোচিত সফলতার তালিকায় তুলে এনেছে।

বক্স অফিস বিশ্লেষকদের মতে, বড়দিনের দীর্ঘ ছুটির প্রভাব এবং দর্শকের আগ্রহ বজায় থাকলে খুব শিগগিরই সিনেমাটি ১ বিলিয়ন ডলারের ক্লাব স্পর্শ করতে পারে। সাম্প্রতিক কয়েক দিনে আন্তর্জাতিক বাজার থেকেই এসেছে ১৮১.২ মিলিয়ন ডলার, আর একই সময়ে বিশ্বব্যাপী মোট সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ২৪৫.২ মিলিয়ন ডলারে।

আয়ের খুঁটিনাটি হিসাব বলছে, উত্তর আমেরিকার বাজার থেকে সিনেমাটি পেয়েছে ২১৭ মিলিয়ন ডলার, আর আন্তর্জাতিক বাজার থেকে এসেছে ৫৪২ মিলিয়ন ডলার। আন্তর্জাতিক আয়ের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় অবদান রেখেছে চীন, যেখানে সিনেমাটি আয় করেছে ৯৯.৬ মিলিয়ন ডলার। এরপর রয়েছে ফ্রান্স (৫৪.৪ মিলিয়ন), জার্মানি (৪৩.১ মিলিয়ন) এবং দক্ষিণ কোরিয়া (৩২.১ মিলিয়ন ডলার)।

বর্তমানে ২০২৫ সালের সর্বোচ্চ আয়কারী হলিউড সিনেমার তালিকায় শীর্ষের কাছাকাছি অবস্থান করছে ‘অ্যাভাটার ৩’। বাজার বিশ্লেষকদের ধারণা, সামনে আসা সপ্তাহগুলোতে এটি ‘জুরাসিক ওয়ার্ল্ড: রিবার্থ’ ও ‘এ মাইনক্রাফট মুভি’-এর মতো বড় বাজেটের ছবিকেও পেছনে ফেলতে পারে।

ধারণা করা হচ্ছে, ২০২৫ সালের তৃতীয় সিনেমা হিসেবে ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ ১ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক ছুঁবে। এর আগে চলতি বছরে কেবল ‘লিলো অ্যান্ড স্টিচ’ এবং ডিজনি প্রযোজিত ‘জুটোপিয়া ২’ এই কৃতিত্ব অর্জন করেছে। উল্লেখ্য, ‘জুটোপিয়া ২’ মুক্তির পঞ্চম সপ্তাহেও দাপট ধরে রেখে ইতোমধ্যে ১.৪২ বিলিয়ন ডলার আয় করেছে।

অন্যদিকে, ইউনিভার্সাল পিকচার্সের সংগীতধর্মী চলচ্চিত্র ‘উইকড: ফর গুড’ বিশ্বব্যাপী ৫০৩.৯ মিলিয়ন ডলার আয় করে লাভজনক অবস্থানে পৌঁছালেও, আগের কিস্তির তুলনায় কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে।

প্যান্ডোরা গ্রহের নতুন ‘আগুন ও ছাই’ সংস্কৃতি, চোখধাঁধানো ভিএফএক্স আর জেমস ক্যামেরনের গল্প বলার ভিজ্যুয়াল ভাষাই দর্শকদের প্রেক্ষাগৃহে টেনে আনছে। বক্স অফিসের এই ধারাবাহিক সাফল্য আবারও প্রমাণ করছে— ‘অ্যাভাটার’ ফ্র্যাঞ্চাইজি এখনো বিশ্ব সিনেমার অন্যতম শক্তিশালী নাম।