দেশের বিভিন্ন সীমান্তে বিশেষতঃ উত্তর জনপদের লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলার সীমান্ত দিয়ে প্রতিদিন ও রাতে গরু,মাদকদ্রব্য সহ অন্যান্য মালামাল বাংলাদেশে আসছে।
ভারতীয় গরু আনার জন্য ইতোমধ্যে অনেকেই বিএসএফের গুলিতে কিংবা নির্যাতনে মৃত্যুবরণ করেছে। অনেক চোরাচালানির লাশ ফেরত পাওয়া যায়নি। বিজিবি, র্যাব পুলিশ মাঝেমধ্যে মাদকদ্রব্য ও গাঁজা আটক করে। গরু আটকের ঘটনা খুব একটা পরিলক্ষিত হয় না। গরু ও মাদক চোরাচালান সীমান্তবর্তী চোরাচালানীদের জীবিকার একমাত্র অবলম্বন।
এ দুটি জেলার চোরাচালানিরদের মধ্যে অনেকে লাখপতি,কোটিপতিতে পরিণত হয়েছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, এদের আয়ের অন্য কোন উৎস না থাকলেও শুধুমাত্র চোরাচালানির টাকায় এরা ঘরবাড়ি পাকা করন,জমিজমা ক্রয়,ব্যাংক ব্যালেন্স, শহরে বন্দরে বাসাবাড়ি নির্মাণসহ আলিশান জীবন যাপন করছে। চোরাচালানিদের জীবিকার একমাত্র পথ হওয়ায় সীমান্তে গরু ও মাদক চোরাচালান বন্ধ হচ্ছে না। বিএসএফ এর গুলিতে এবং নির্যাতনে মৃত্যুবরণ, ভারত থেকে লাশ ফেরত, লাশ দাফন করার পর পরই শুরু হয় ভারত থেকে গরু ও মাদক নিয়ে আসার প্রতিযোগিতা।সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া থাকায় বাশের কোটা দিয়ে ভারতীয় গরু নিয়ে আসা হয়। গরুর পায়ের সাথে সাথে ফেনসিডিল ও অন্যান্য মাদক সামগ্রী আসে। সীমান্তে চোরাচালানিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইননানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা না করলে চোরাচালান বন্ধ হবে না। কারন এদের জীবিকার একমাত্র পথ চোলাচলানি। যেমন আমাদের দেশের অধিকাংশ রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও সরকারি কর্মকর্তা,কর্মচারীেজীবিকার একমাত্র পথ ঘুষ,দুর্নীতি, রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুণ্ঠন ও অর্থ আত্মসাৎ। নানাবিধ প্রচেষ্টা চালিয়ে অধিকাংশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঘুষ দুর্নীতি, আত্মসাৎ ও লুণ্ঠন বন্ধন করা যাচ্ছে না। কারণ এদের অধিকাংশই ঘুষ,দুর্নীতি, আত্মসাৎ রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুণ্ঠনকে তাদের জীবিকার একমাত্র অবলম্বন হিসেবে বেছে নিয়েছে।তাই এদের জীবিকা নির্বাহী প্রয়োজনীয় অর্থ প্রদানসহ ঘুষ, দুর্নীতি লুণ্ঠন বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন।