শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
সর্বশেষ বিশেষ সংবাদ জাতীয় সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন বাণিজ্য লাইফস্টাইল আইন-আদালত মতামত অন্যান্য
/ সারাদেশ

রংপুরে বিদ্যুৎ-গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি ও প্রিপেইড মিটার বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন


প্রকাশ :

রংপুর নগরীর মর্ডাণ মোড়ে বিদ্যুৎ গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ এবং প্রিপেইড মিটার ব্যবস্থা বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।


এসময় বক্তারা বলেন, একের পর এক মূল্যবৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে। একই সঙ্গে প্রিপেইড মিটার ব্যবস্থাকে জনভোগান্তির অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করে তা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানান।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টায় নগরীর মর্ডাণ মোড়ে এলাকাবাসীর উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধনে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য রোখেন, অধ্যাপক ওহায়েদ আলী, আব্দুস সালাম মিয়া, জাহাঙ্গীর আলম, আব্দুর রহিম মিয়া, মো. দুলাল মিয়া, মো. রমজান আলী, হাবিব মিয়া মো. গোলাম কিবরিয়াসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।


মানববন্ধনে অধ্যাপক ওহায়েদ আলী  বলেন, “বর্তমানে বিদ্যুৎ খাতে এমন এক ধরনের বাণিজ্যিক প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের স্বার্থের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। বিদ্যুৎ গ্যাসের দাম ধারাবাহিকভাবে বাড়ানো হচ্ছে, অথচ মানুষের আয় সেই অনুপাতে বাড়ছে না। ফলে নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো চরম

সংকটে পড়েছে। জনগণের মৌলিক সেবাকে ব্যবসার পণ্যে পরিণত করা হলে তার

নেতিবাচক প্রভাব পুরো সমাজের ওপরই পড়বে।প্রিপেইড মিটার চালুর ফলে গ্রাহকদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন চার্জ কাটাকাটির কারণে মানুষ প্রকৃত ব্যবহারের তুলনায় বেশি অর্থ পরিশোধ করতে বাধ্য হচ্ছে। জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় সরকারের উচিত বিষয়ে পুনর্বিবেচনা করা।


অন্যান্য বক্তারা বলেন, বিদ্যুৎ গ্যাস নাগরিক জীবনের অপরিহার্য সেবা। ঘন ঘন মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের জীবনমানকে আরও কঠিন করে তুলছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এই সময়ে নতুন করে ইউটিলিটি সেবার খরচ বৃদ্ধি জনগণের ওপর বাড়তি বোঝা চাপিয়ে দিচ্ছে। তারা বিদ্যুৎ গ্যাসের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহার এবং প্রিপেইড মিটার ব্যবস্থা বাতিলের দাবি জানান।

 

মানববন্ধন থেকে বক্তারা অবিলম্বে বিদ্যুত গ্যাসের দাম কমানো সহ প্রিপেইড মিটার বন্ধের জোরালো দাবি জানিয়ে সতর্ক করে বলেন, জনগণের ন্যায্য দাবি উপেক্ষা করা হলে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

মানববন্ধন শেষে দাবি আদায়ের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়।