ঈদকে সামনে রেখে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে বেড়েছে পণ্যবাহী ট্রাক ও কাভার্ডভ্যানের চাপ। যাত্রীবাহী বাসের পাশাপাশি অতিরিক্ত মালবাহী যান চলাচলের কারণে মহাসড়কের বিভিন্ন এলাকায় সৃষ্টি হচ্ছে দীর্ঘ যানজট। এতে ঘরমুখো যাত্রীদের ভোগান্তি চরম আকার ধারণ করেছে।
মঙ্গলবার সকাল থেকেই গাজীপুরের চন্দ্রা, কালিয়াকৈর, মৌচাক ও আশপাশের কয়েকটি এলাকায় যানবাহনের ধীরগতি দেখা যায়। মহাসড়কের অধিকাংশ লেনজুড়ে ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান চলাচল করায় যাত্রীবাহী বাসগুলোকে দীর্ঘ সময় আটকে থাকতে হচ্ছে। কোথাও কোথাও কয়েক কিলোমিটারজুড়ে যানবাহনের দীর্ঘ সারিও তৈরি হয়েছে।
যাত্রীরা জানান, স্বাভাবিক সময়ে যে পথ পাড়ি দিতে এক ঘণ্টা সময় লাগত, এখন একই পথ অতিক্রম করতে তিন থেকে চার ঘণ্টা পর্যন্ত সময় ব্যয় হচ্ছে। অতিরিক্ত ট্রাক চলাচল, বিকল যানবাহন এবং বেপরোয়া ওভারটেকের কারণেই যানজট আরও তীব্র হচ্ছে বলে অভিযোগ তাদের।
মহাসড়কে চলাচলকারী বাসচালকরা জানান, রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পণ্যবাহী যানবাহনের চাপ আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। অনেক ট্রাক সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকায় স্বাভাবিক যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এছাড়া শিল্পকারখানার মালামাল বহনকারী যানবাহনের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
স্থানীয়রা বলছেন, ঈদকে কেন্দ্র করে মহাসড়কে যানবাহনের অতিরিক্ত চাপ তৈরি হওয়ায় দিনভর থেমে থেমে যানজট লেগেই থাকছে। এতে সাধারণ যাত্রীদের পাশাপাশি পরিবহন শ্রমিকদেরও দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
এ বিষয়ে কোনাবাড়ী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাওগাতুল আলম জানান, মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। যানজট নিয়ন্ত্রণে একাধিক টিম কাজ করছে। তবে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপের কারণে কিছু কিছু এলাকায় ধীরগতি তৈরি হচ্ছে।