শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩
সর্বশেষ বিশেষ সংবাদ জাতীয় সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন বাণিজ্য লাইফস্টাইল আইন-আদালত মতামত অন্যান্য
/ সারাদেশ

রংপুরে পরিবেশবান্ধব নির্মাণসামগ্রী প্রসারে ইএসডিও’র লিংকেজ কর্মশালা অনুষ্ঠিত


প্রকাশ :

পরিবেশবান্ধব নির্মাণসামগ্রীর উৎপাদন ও ব্যবহার সম্প্রসারণে রংপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে “লিংকেজ কর্মশালা”। বৃহস্পতিবার (৭ মে ২০২৬) Palli Karma-Sahayak Foundation (পিকেএসএফ)-এর সহযোগিতায় Eco-Social Development Organization (ইএসডিও) বাস্তবায়িত “সাসটেইনেবল মাইক্রো এন্টারপ্রাইজ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্ট ট্রান্সফরমেশন (স্মার্ট)” প্রকল্পের আওতায় এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

রংপুরের সিও বাজারস্থ ইএসডিও সিলভার জুবিলি ভবনে আয়োজিত এ কর্মশালায় সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, পরিবেশবান্ধব নির্মাণসামগ্রী কংক্রিট ব্লক উৎপাদনকারী, বিক্রেতা, সরবরাহকারী, ব্যবহারকারী, ঠিকাদার, কনসালটেন্ট ফার্ম, ডেভেলপার কোম্পানি, রাজমিস্ত্রী এবং প্রচলিত ইটভাটার মালিকরা অংশগ্রহণ করেন।

কর্মশালার উদ্বোধনী বক্তব্য প্রদান করেন ইএসডিও স্বপ্ন প্রকল্পের ট্রেনিং অ্যান্ড জব প্লেসমেন্ট কো-অর্ডিনেটর মো. রেজওয়ানুর রহমান।

অনুষ্ঠানে পরিবেশবান্ধব নির্মাণসামগ্রীর উৎপাদন, ব্যবহার ও প্রসারে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী মো. আক্তারুজ্জামান, গণপূর্ত অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী মো. আমিরুল ইসলাম, পরিবেশ অধিদপ্তরের বিভাগীয় পরিচালক নুর আলম, সিনিয়র কেমিস্ট হাসান-ই-মোবারক, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী সাজেদুর রহমান এবং স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মনি কুমার শর্মা।

বক্তারা বলেন, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় পোড়া মাটির ইটের বিকল্প হিসেবে পরিবেশবান্ধব নির্মাণসামগ্রীর ব্যবহার বাড়ানো সময়ের দাবি। সরকারি বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে কংক্রিট ব্লকের ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় এর চাহিদা ও উৎপাদন দিন দিন বাড়ছে। এ খাতের সম্প্রসারণে সরকারি-বেসরকারি সকল অংশীজনকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।

কর্মশালায় “স্মার্ট-পরিবেশবান্ধব নির্মাণ সামগ্রী” উপ-প্রকল্পের পরিচিতি এবং পরিবেশবান্ধব নির্মাণসামগ্রীর গুরুত্ব ও ব্যবহার নিয়ে বিস্তারিত প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন প্রকল্প ব্যবস্থাপক মো. জাহাঙ্গীর আলম।

আয়োজকরা জানান, পরিবেশবান্ধব নির্মাণসামগ্রীর প্রসারের মাধ্যমে একদিকে যেমন পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব হবে, অন্যদিকে টেকসই উন্নয়ন ও সবুজ অর্থনীতির পথও আরও সুদৃঢ় হবে।