রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২
সর্বশেষ বিশেষ সংবাদ জাতীয় সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন বাণিজ্য লাইফস্টাইল আইন-আদালত মতামত অন্যান্য
/ সারাদেশ

আইএসইউতে শান্তি ও সহমর্মিতা বিষয়ক সেমিনারে ব্যক্তিগত পরিবর্তনেই সামাজিক রূপান্তরের বার্তা


প্রকাশ :

ব্যক্তি থেকে সমাজ- উভয় পর্যায়ে শান্তি, সহমর্মিতা ও অহিংস চেতনা জাগিয়ে তুলতে বুধবার (১১ নভেম্বর) দুপুরে ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইউনিভার্সিটি (আইএসইউ)-এর মহাখালী ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয় এক অনুপ্রেরণামূলক সেমিনার। ফ্যাকাল্টি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজির ডিন অধ্যাপক ড. মো. আবুল কাসেমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার বিশিষ্ট মানবতাবাদী ও অধ্যাপক ডিক্লেয়ার আর্নাল্ডো ম্যান্দেজ হেগ।

সেমিনারে আইএসইউর উপাচার্য প্রফেসর ড. আব্দুল আউয়াল খান, পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এরশাদ আহমেদ মুঘল এবং হিউম্যানিস্ট মুভমেন্টের আন্তর্জাতিক সমন্বয়ক এ.কে.এম. সামছুদ্দোহা পাটোয়ারীসহ শিক্ষকমণ্ডলী ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

বক্তব্যে ডিক্লেয়ার ম্যান্দেজ হেগ বলেন, স্থায়ী শান্তির সূচনা হয় ব্যক্তিগত পরিবর্তন থেকে। সমাজে ইতিবাচক রূপান্তর আনতে হলে আত্ম-সংযম, সহানুভূতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের চর্চা জরুরি। তিনি বলেন, “সহিংসতা কখনো শান্তি আনে না—বরং তা আরও বিভাজন তৈরি করে।” সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্রমবর্ধমান বিদ্বেষ ও সহিংসতা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে তিনি মানসিক প্রশান্তি রক্ষায় ধ্যান, পাঠ ও সৃজনশীল বিনোদনের পরামর্শ দেন।

সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. আবুল কাসেম বলেন, পরিবর্তন শুরু করতে হবে নিজেদের ভেতর থেকে। পরিবারের ভেতর থেকেই যদি আমরা সম্মান ও সহনশীলতার চর্চা করি, তবেই বৃহত্তর সমাজে স্থায়ী পরিবর্তন সম্ভব।

অধ্যাপক এরশাদ আহমেদ মুঘল বলেন, “বিশ্বের কোথাও আমরা যুদ্ধ চাই না; আমাদের লক্ষ্য শান্তি প্রতিষ্ঠা, যা মানবতার মূল মূল্যবোধ।”

সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. ফাইজুল্লাহ কৌশিক। সঞ্চালনায় ছিলেন সুলতানা মুশফিকা রহমান। অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা বক্তাদের কাছে নানা প্রশ্ন রাখেন, যার উত্তর দেন অতিথিরা আন্তরিকভাবে।