মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার উত্তর ঘোড়ামারা গ্রামে প্রথম স্ত্রীর ঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। ভোরে এই অগ্নিকাণ্ডে ঘরসহ নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ওই গ্রামের ওমর ফারুক খবির (৩৮)। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক মাস আগে তিনি আরেক নারীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলেন। বিষয়টি জানাজানি হলে স্ত্রী সোনিয়া বেগমের সঙ্গে দাম্পত্য কলহ চরমে ওঠে। একপর্যায়ে সালিশে সমাধান হলেও, পরে ফারুক গোপনে দ্বিতীয় বিয়ে করেন এবং সোনিয়াকে ডিভোর্স দেন।
ডিভোর্সের পরও সোনিয়া সন্তানদের নিয়ে আগের বাড়িতেই বসবাস করছিলেন। তার দাবি, ফারুক প্রায়ই হুমকি দিতেন—“তুমি ও বাচ্চারা সুখে থাকতে পারবে না।” এমনকি আগুনে পুড়িয়ে মারার কথাও বলেছিলেন। ঘটনার রাতে তিনি ভাগ্নির বাড়িতে ছিলেন, তাই প্রাণে বেঁচে যান।
স্থানীয়রা জানান, গভীর রাতে হঠাৎ আগুন ছড়িয়ে পড়লে সবাই মিলে পানি দিয়ে নেভানোর চেষ্টা করেন, কিন্তু ততক্ষণে ঘরের সবকিছু পুড়ে যায়।
সিরাজদিখান ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ আরিফ আনোয়ার বলেন, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক বিরোধ থেকেই আগুন দেওয়া হয়েছে। তবে বিস্তারিত তদন্ত শেষে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ওমর ফারুক পলাতক রয়েছেন। তাকে ধরতে অভিযান চলছে।