আজ শনিবার সকালে মুক্তিযোদ্ধা ভবনে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কাউন্সিলের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতিত্ব করেন আহবায়ক নঈম জাহাঙ্গীর।স্বাগত বক্তব্য রাখেন যুগ্ম আহবায়ক মেজর ( অব:) মুনিবুর রহমান।অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন সদস্য সচিব সাদেক খান।
পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত , শহীদদের আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে এক মিনিট নীরবতা পালন, বিভিন্ন জেলার আহ্বায়কদের পরিচিতি ও মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। মুক্ত আলোচনায় বক্তব্য রাখেন রাজশাহী জেলা আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম। লালমনিরহাট জেলা আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম কানু,যশোহর জেলা আহবায়ক আব্দুল লতিফ, কুড়িগ্রাম জেলা আহবায়ক নুরুজ্জামান, গাইবান্ধা জেলা আহবায়ক আশরাফুল ইসলাম রঞ্জু প্রমূখ।
বক্তাগণ বলেন, সরকার পরিবর্তনের সাথে সাথে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নেতৃত্বের পরিবর্তন ঘটে। গত ৫৪ বছরে মুক্তিযোদ্ধা সংসদে রাজনৈতিক দলের অঙ্গসংগঠন হিসাবে পরিচালিত করা হয়েছে অথচ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সম্পূর্ণরূপে একটি অরাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান।
দলীয় করণ, আত্মীয়করণ করণ ও বাণিজ্য করণের মাধ্যমে লক্ষাধিক ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা তৈরি করা হয়েছে। রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা প্রস্তুত করা হবে । কোন রাজনৈতিক দলের হস্তক্ষেপ এর কাছে নতি স্বীকার করা যাবে না। অঙ্গীকারনামায় প্রদত্ত তিনটি শর্ত মেনে নিয়েই সংসদের নেতৃত্বে আসতে হবে। শর্ত তিনটি হচ্ছে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা তালিকা তৈরিতে সহযোগিতা করেনি, সর্বোপরি কোন রাজনৈতিক দল কিংবা অঙ্গ সংগঠনের পদধারী মুক্তিযোদ্ধা বাংলাদেশ বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের জেলা ও উপজেলা আহবায়ক কমিটিতে থাকতে পারবে না।
বিগত বছরগুলোতে রাজনৈতিক ও দলীয়করণের মাধ্যমে বিভিন্ন দলের নেতাকর্মীদের মুক্তিযোদ্ধা বানানো হয়েছে। এমনকি ১৯৭৪ সালের জন্মগ্রহণকারী মহিলাকে বীরঙ্গনা মুক্তিযোদ্ধা বানিয়ে ভাতা দেওয়া হয়েছে। আরো নানাবিধ অসঙ্গতি রয়েছে যা খুঁজে বের করার দায়িত্ব রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধাদের।