ভারতের জলপাইগুড়ি জেলার ময়নাগুড়ি থানার সাপটিবাড়ী সস্থিরহাট বাজার এলাকা থেকে সোমবার (১১ আগস্ট) সকাল ১১ টায় হারিয়ে যায় শঙ্খদ্বীপ (৭) নামে প্রথম শ্রেণির এক শিশু শিক্ষার্থী। পরদিন মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) দুপুরে তার লাশ পাওয়া যায় বাংলাদেশের লালমনিরহাটের পাটগ্রামের ধরলা নদীতে।
শিশুর খোজে ময়নাগুড়ি থানায় সাধারণ ডায়েরী করে শিশুটির বাবা বিশ্বদীপ ঘোষ বাবুয়া। পত্রিকায় ছাপানো হয় হারানো বিজ্ঞপ্তি।
মঙ্গলবার সকালে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে প্রবাহিত ধরলা নদী হয়ে ভেসে আসে ওই শিশুর মরদেহ। উপজেলার বুড়িমারী ইউনিয়নের উফারমারা এলাকার গুড়িয়াটারি নামক স্থানে ধরলা নদীর পাড়ে ছেলে শিশুর লাশ দেখতে পায় স্থানীয়রা। পরে থানা-পুলিশ খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে।
শিশুটির গলায় একটি চেইন, হাতে সুতোর বাঁধনসহ একটি ব্যাচলেট এবং কোমরে একটি তাবিজ বাধা রয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী মনির হোসেন (৬০) বলেন, সকালে ধরলা নদীতে মাছ ধরতে যাই, এক পর্যায়ে নদীতে শিশুটির লাশ দেখতে পেয়ে এলাকাবাসীকে জানাই। পরে পুলিশ আসে।
বুড়িমারী ইউনিয়ন পরিষদের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য হাসানুজ্জামান হাসান বলেন, নদীতে শিশুর লাশ পাওয়া গেছে শুনে দেখতে যাই। পরে শুনতে পাই শিশুটি ভারতীয়। সেখানে (ভারতে) হারিয়ে গেছে।
পাটগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, নদীতে শিশুর লাশ পাওয়া গেছে জেনে থানা- পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। ভারতের ময়নাগুড়ি থানা পুলিশ যোগাযোগ করেছে বুড়িমারী স্থলবন্দরের শূন্যরেখা দিয়ে শিশু শঙ্খদ্বীপের মরদেহ হস্তান্তর করার প্রস্তুতি চলছে।