রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২
সর্বশেষ বিশেষ সংবাদ জাতীয় সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন বাণিজ্য লাইফস্টাইল আইন-আদালত মতামত অন্যান্য
/ সারাদেশ

সাধারণ জনগণ সচেতন ও সক্রিয় হলে বন্ধ হবে মব-চাঁদাবাজি--স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা


প্রকাশ :

মব ভায়োলেন্স (গণ-হিংসা) ও চাঁদাবাজি রোধে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

তিনি বলেন, “মব ভায়োলেন্স ও চাঁদাবাজি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এসব প্রতিরোধে সাধারণ জনগণকে সচেতন, দায়িত্বশীল এবং সরব হতে হবে। আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার অধিকার কারও নেই। কেউ যদি এমন করে, তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে—সে যত প্রভাবশালীই হোক না কেন।”

সোমবার (১৪ জুলাই) কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ‘রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ, ক্যাম্প ব্যবস্থাপনা ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ’ শীর্ষক এক বিশেষ আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, “শুধু বাহক নয়, মাদক চক্রের মূল হোতা তথা গডফাদারদেরও খুঁজে বের করতে হবে। মাদক আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ধ্বংস করছে। এটি পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য ভয়াবহ পরিণতি বয়ে আনছে। এ কারণে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে এবং মানসিকতার পরিবর্তন আনতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “কক্সবাজার সীমান্ত দিয়ে বিপুল পরিমাণ মাদক প্রবেশ করছে। এই সংকট মোকাবেলায় নৈতিকতা ও ঈমান ভিত্তিক মানসিকতায় প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।”

রোহিঙ্গা শিবিরে অপরাধ ও মাদক চোরাচালান বৃদ্ধির বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “রোহিঙ্গা সমস্যা এখন একটি বিষফোড়ায় পরিণত হয়েছে। তাদের দ্বারা সংঘটিত অপরাধ আমাদের গভীরভাবে ভাবিয়ে তুলছে। তবে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে সরকার ইতোমধ্যে একজন বিশেষ উপদেষ্টা নিয়োগ দিয়েছে, যিনি নিরলসভাবে এই বিষয়ে কাজ করছেন।”

কক্সবাজার বিয়াম ফাউন্ডেশন আঞ্চলিক কেন্দ্রের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত উক্ত সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক-ই আজম বীর প্রতীক, প্রধান উপদেষ্টার প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়নবিষয়ক বিশেষ সহকারী লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আবদুল হাফিজ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বেসামরিক প্রশাসন এবং সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।