চীন-ভারত নয়, নিজস্ব অর্থায়নে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নসহ ৬ দফা দাবিতে রংপুর বিভাগীয় শহরে গণ মিছিল কর্মসূচি পালিত হয়েছে। ৪ মে তিস্তা নদী রক্ষা আন্দোলন ঘোষিত গণপদযাত্রা কর্মসূচির প্রতি সংহতি জানিয়ে তিস্তা বাঁচাও নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদ বেলা ৩ ঘটিকায় রংপুর প্রেসক্লাব থেকে এ কর্মসূচিতে অংশ নেয়।
গণ মিছিল পূর্ব সমাবেশের ঘোষণায় সংগঠনের সভাপতি অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম হক্কানী তাঁর লিখিত বক্তব্যে বলেন , চীন-ভারতের অর্থায়নের আশায় বসে না থেকে নিজের টাকায় তিস্তা প্রকল্পের প্রথম ধাপের কাজ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকেই উদ্বোধন করতে হবে।একনেক সভায় প্রথম ধাপের টাকা অনুমোদনপুর্বক আগামী বাজেটে তিস্তা প্রকল্পের জন্য বিশেষ বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে ।
নির্বাচিত সরকার যারাই ক্ষমতায় আসবে তারা এ কাজ এগিয়ে নেবে।ইতোমধ্যে বিএনপি দলগতভাবে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। মাঠের আন্দোলনেও তারা তৎপর রয়েছে। জামাতে ইসলামের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উত্তরাঞ্চলে অনুষ্ঠিত জনসমাবেশে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কথা বলেছেন। এ ইস্যুতে দলমত নির্বিশেষে সকল রাজনৈতিক, সামাজিক শক্তির মধ্যে ঐক্যমত্য প্রতিষ্ঠা করা জরুরি। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শফিয়ার বলেন,তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে উত্তরাঞ্চলের দুই কোটি মানুষ আজ একাট্টা। সম্প্রতি একনেক সভায় চট্টগ্রাম বে টার্মিনালের কাজে ১৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে এখনো একনেক সভায় বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। উন্নয়ন বৈষম্য আমরা চাই না।আমরা চাই সুষম উন্নয়ন। ৭১ এবং ২৪ এর আকাঙ্খা ছিল সমতা, সাম্য ও মানবিক মর্যাদার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা।
তিস্তা বাঁচাও নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদের স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য বখতিয়ার হোসেন শিশির,কেন্দ্রীয় নেতা বাবুল আখতার,হামিদুল সরকার,মোশাররফ হোসেন,কবি মীর রবী।সমাবেশ শেষে নেতাকর্মীরা গণমিছিলে অংশ নেয়।