রংপুরে নিরাপদ ফসল উৎপাদন, ন্যায্য মূল্যে কৃষি বাজার ভোক্তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে সুস্থ্য জাতি গঠনের লক্ষ্যে কৃষি বাজার মোবাইল অ্যাপসের উদ্বোধন করা হয়েছে।সেই সাথে নিরাপদ সবজি ভোক্তাদের কাছে পৌঁছে দিতে কয়েকটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে রংপুর নগরীর ৩৩টি ওয়ার্ডের বিভিন্ন পয়েন্টে ২৪টি ভ্যানের মাধ্যমে শাক-সবজি বিক্রি করা হচ্ছে।
রোববার (৪ মে) সকাল সাড়ে ১১টায় পাবলিক লাইব্রেরি মাঠে এর উদ্বোধন করেন রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সিরাজুল ইসলাম।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, সাসটেনেবল এগ্রিকালচার ফাউন্ডেশন নাইস প্রকল্পের ব্যবস্থাপক মোশফেকুল আলম তালুকদার,সিভিল সার্জন কার্যালয়ের স্টাফ অফিসার ডাঃ মোঃ আখতাররুজ্জামান শুভ, মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কর্মাস ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক নাজমুল আলম নাজু, কৃষি বাজার লিমিটেডের চেয়ারম্যান গাওসুল আজম টুটুল।অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, নাইস প্রকল্পের ফিল্ড কো-অর্ডিনেটর সোহেল আহমেদ, নিরাপদ সবজি উৎপাদনকারী কৃষি উদ্যোক্তা আবুল কালাম আজাদ, আব্দুর রশিদ, অরুণ কুমার রায় প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ভোক্তাদের কাছে নিরাপদ সবজি পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে কৃষি বাজার অ্যাপ চালু করা হয়েছে। এই অ্যাপের মাধ্যমে একজন ভোক্তা বাড়িতে বসেই শাক-সবজি অর্ডার করতে পারবেন। সেই সাথে নিরাপদ সবজি ভোক্তাদের কাছে পৌঁছে দিতে কয়েকটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে রংপুর নগরীর ৩৩টি ওয়ার্ডের বিভিন্ন পয়েন্টে ২৪টি ভ্যানের মাধ্যমে শাক-সবজি বিক্রি করা হচ্ছে। এছাড়া চুক্তি ভিত্তিক কৃষকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিরাপদ শাক-সবজি উৎপাদন এবং তা ন্যায্য মূল্যে বিক্রি নিশ্চিতে কাজ করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ভোক্তাদের কাছে নিরাপদ পণ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে কৃষি বাজার অ্যাপ চালু করা হয়েছে। এই অ্যাপের মাধ্যমে একজন ভোক্তা বাড়িতে বসেই শাক-সবজি অর্ডার করতে পারবেন। সেই সাথে নিরাপদ সবজি ভোক্তাদের কাছে পৌঁছে দিতে কয়েকটি বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে রংপুর নগরীতে ২৪টি ভ্যানের মাধ্যমে বিভিন্ন পয়েন্টে শাক-সবজি বিক্রি করা হচ্ছে। এছাড়া চুক্তি ভিত্তিক কৃষকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিরাপদ শাক-সবজি উৎপাদন এবং তা ন্যায্য মূল্য বিক্রি নিশ্চিতে কাজ করা হচ্ছে।
রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সিরাজুল ইসলাম বলেন, কর্মব্যস্ত জীবনে আমরা সকলে নিরাপদ পণ্য সব সময় চাই। এখানকার চুক্তি ভিত্তিক কৃষকরা নিরাপদ সবজি উৎপাদনকরে তা অ্যাপে এবং ভ্যানেকরে ভোক্তাদের কাছে বিক্রি করছে। এতে করে আমাদের নিরাপদ খাদ্য, পুষ্টি নিশ্চিত হচ্ছে। অপরদিকে কৃষকরাও তাদের ফসলের ন্যায্য মূল্য পাচ্ছে। আমরা এই মডেল ছড়িয়ে দিতে কাজ করে যাব।
গ্লোবাল কৃষি বাজার লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা গাওসুল আজম টুটুল বলেন, আমাদের চুক্তি ভিত্তিক ৫০ জন কৃষক নেতা রয়েছে। তাদের আওতায় ৫০ থেকে দেড়শ জন কৃষক রয়েছে। কৃষক নেতারা অন্যান্য কৃষকের মাধ্যমে নিরাপদ সবজি উৎপাদন, প্রশিক্ষণ ও মোবাইল ভ্যানের মাধ্যমে তা বিক্রির ব্যবস্থা করে। আমরা সরকারী ও বেসরকারী সংস্থার মাধ্যমে কৃষকদের প্রশিক্ষণ ও বিক্রির যে চেইন রয়েছে, সেটি তৈরীকরে দিয়েছি। আগামীতে ভোক্তারা অ্যাপের মাধ্যমে কেনা সবজিতে কতটুকু সার দেওয়া হয়েছে, কিভাবে উৎপাদন হয়েছে তা দেখতে পারবে।আমার সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। সাসটেইনেবল এগ্রিকালচার ফাউন্ডেশন নাইস প্রকল্প এবং ইএসডিওর সহায়তা এ আয়োজনে কৃষক, কৃষি উদ্যোক্তা, সবজি বিক্রেতাসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার তিন শতাধিক মানুষ অংশ নেয়।