রংপুরে হেযবুত তাওহীদের ইসলাম বিদ্বেষী ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম বন্ধের দাবীতে মানব বন্ধন সমাবেশ, জেলা প্রশাসক কার্যালয় ঘেরাও এবং স্বারকলিপি প্রদান কর্মসূচী পালিত হয়েছে। বুধবার (৫ মার্চ) সকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে মুসলিম উম্মাহ’র ব্যানারে মানববন্ধন সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, ছাত্র মজলিস রংপুরের সভাপতি ইসমাইল হুসাইন, ওলামা পরিষদের নেতা হাফেজ মাওলানা আমজাদ হোসেন, মেডিকেল মোড় জামে মসজিদের খতিব মুফতিআব্দুল মোত্তালিব মোল্লাহ, মাওলানা রবিউল ইসলাম, মুফতি সালেহ আহমাদ মুহিত, বৈষম্য বিরোধীছাত্র আন্দোলনের নেতা মামুন মিয়াসহ অন্যরা।
কর্মসূচীতে বক্তারা বলেন, হেযবুত তাওহীদ পীরগাছার নাগদাহ ছিদাম গ্রামে ইসলাম বিদ্বেষী কার্যক্রম পরিচালনা করেছে।তারা ইসলামের নামে গ্রামের সহজ-সরল মানুষকে ভূল পথে পরিচালিত করার চেষ্টা করছে। এর প্রতিবাদ করতে গিয়ে হেযবুত তাওহীদের সন্ত্রাসী বাহিনীর হাতে অনেক গ্রাম বাসী হামলার শিকার হয়েছে। অনেকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। সেই সাথে তারা গ্রাম বাসীর নামে মিথ্যা মামলা করে হয়রানি করছে। এ সময় বক্তারা অবিলম্বে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার সহ হেযবুত তাওহীদের ইসলাম বিদ্বেষী কার্যক্রম পরিচালনা বন্ধের দাবী জানান। অন্যত্থায় বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলার ঘোষণা দেন। মানব বন্ধন সমাবেশ শেষে জেলা প্রশাসক কার্যালয় ঘেরাও করে স্বারক লিপি প্রদান করে আন্দোলন কারীরা।
উল্লেখ্য, গত ২৪ ফেব্রুয়ারী সকালে জেলার পীরগাছার পারুল ইউনিয়নের নাগদাহ ছিদাম এলাকায় হেযবুত তাওহীদের লোক জনের সাথে স্থানীয় জামায়াত নেতা কর্মী ও এলাকাবাসীর সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় হেযবুত তাওহীদের চারটি বাড়িতে ভাংচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ চালানো হয়। এ ঘটনায় ২৮ ফেব্রুয়ারী হেযবুত তাওহীদের বিভাগীয় সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস শামীম বাদী হয়ে জামায়াতে ইসলামীর ২৭ নেতা কর্মীর নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৫-৬’শ জনকে আসামী করে পীরগাছা থানায় এ মামলা দায়ের করেন। এর আগে গত ২৫ ফেব্রুয়ারী রাতে হেযবুত তাওহীদের ৩৯ নেতাকর্মীসহ অজ্ঞাত ৩’শ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন স্থানীয় মসজিদের ইমাম মিজানুর রহমান।