রংপুরের পীরগাছায় হেযবুত তাওহীদের কর্মী-সংগঠকের বাড়িতে হামলা, ভাংচুর, লুটপাট ও অগ্নি সংযোগের ঘটনায় মামলা হয়েছে। সংগঠনের রংপুর বিভাগীয় সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস শামীম বাদী হয়ে জামায়াতে ইসলামীর ২৭ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৫-৬’শ জনকে আসামী করে পীরগাছা থানায় এ মামলা দায়ের করেন। শনিবার (১ মার্চ) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন পীরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)নুরে আলম সিদ্দিকী।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ফেব্রুয়ারী সকালে পীরগাছার পারুল ইউনিয়নের ছিদাম বাজার সংলগ্ন হেযবুত তাওহীদের বিভাগীয় সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস শামীমের বাড়িতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি বর্গ ও সুধীজনদের নিয়ে একটি প্রীতি ভোজের আয়োজন করা হয়। স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি নুর আলম অনুষ্ঠানটি বন্ধের জন্য নানা ভাবে হুমকি দেন। আব্দুল কুদ্দুস শামীম বিষয়টি উপজেলা জামায়াত এবং পুলিশকে অবহিত করলেও পর দিন সকালে জামায়াতের ওয়ার্ড সভাপতি নুর আলমের নেতৃত্বে একটি মিছিল এসে আব্দুল কুদ্দুস শামীমসহ আরও চারটি বাড়িতে ভাংচুর, লুটপাট ও অগ্নি সংযোগ করে। এ ঘটনায় ২২টি মোটর সাইকেল পুড়িয়ে দেয়া হয়। এ ঘটনায় আব্দুল কুদ্দুস শুক্র বার বাদী হয়ে পীরগাছা থানায় মামলা দায়ের করেন। এর আগে গত ২৫ ফেব্রুয়ারী রাতে হেযবুত তাওহীদের ৩৯ নেতাকর্মীসহ অজ্ঞাত ৩’শ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন স্থানীয় মসজিদের ইমাম মিজানুর রহমান।
হেযবুত তাওহীদের বিভাগীয় সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস শামীম বলেন, আমাদের সংগঠন সম্পূর্ণ আইন মেনে চলে এবং প্রশাসনকে অবহিত করেই কার্যক্রম পরিচালনা করে। অথচ জামায়াত-শিবিরের লোকজন গুজব রটিয়ে আমাদের ওপর পরিকল্পিত ভাবে হামলা চালিয়ে বাড়ি ঘর পুড়িয়ে দিয়েছে। শুধু বাড়ি ঘর লুট পাট নয়, তারা গুরু ত্বপূর্ণ মালামাল, গবাদি পশু, হাঁস-মুরগিও নিয়ে গেছে।
রংপুরের পীরগাছা থানার ওসি নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নি সংযোগের ঘটনায় আব্দুল কুদ্দুস বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা করেছে। অপর পক্ষও আর একটি মামলা করেছে। বিষয় গুলো নিয়ে কাজ করছে পুলিশ।