একুশে পদক প্রাপ্ত সাংবাদিক ও দৈনিক আমার দেশ এর সম্পাদক মাহমুদুর রহমান বলেছেন, আবু সাঈদের আইকনিক দৃশ্য পুরো বাংলাদেশের মানুষে হৃদয়কে নারা দিয়েছে।আবু সাঈদসহ সকল নিহত শহীদদের নিয়ে গবেষণা উদ্যোগ নেওয়ার আহবান জানিয়েছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়কে।অনুষ্ঠানে ইনকিলাব মঞ্চের পক্ষে থেকে জুলাই বিপ্লবের গ্রাফিতি গাইল দুটি এ্যালবাম বেরোবিকে হস্তান্তর করেন।
শনিবার(২২ ফেব্রুয়ারী)বিকেলে বেরোবির স্বাধীনতা স্মারক মাঠে পাঁচদিন ব্যাপী বইমেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে এসব কথা বলেন ।
বেরোবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলীর সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদী, বেরোবির গনিত বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ তাজুল ইসলাম, স্টেডফাস্ট কুরিয়ার সার্ভিসের চেয়ারম্যান কে এম রিদওয়ানুল বারী জিয়ন প্রমুখ।
মাহমুদুর রহমান বলেন, আবু সাঈদ ১৬ জুলাই পুলিশ ও খুনি হাসিনাকে চোখ রাঙ্গিয়ে রাস্তায় নেমেছে সকল ছাত্ররা রাস্তায় নেমে নেতৃত্ব দিয়েছে। হাসিনার ফ্যাসিবাদ ভারতের হেজিমনি পরাজিত হয়ে দেশ থেকে পালিয়েছে। আগামীর বাংলাদেশ হোক যেখানে বৈষম্য থাকবে না গণতন্ত্র ও মানবাধিকার থাকবে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশকে ফ্যাসিবাদ মুক্ত করার পরিস্থিতি তৈরি করেছেন আবু সাঈদ। জুলাই বিপ্লবে আমরা ৩৬ দিনে দেখতে পেয়েছি বিভিন্ন বাকের মধ্য দিয়ে বিপ্লব এগিয়ে গেছে। সেই বাঁকের মধ্যে অন্যতম প্রধান যে ছিল আবু সাঈদ। যেটা ১৬ জুলাই আবু সাঈদ দুই হাত তুলে পুলিশের সামনে বুক চিড়িয়ে দাঁড়িয়েছে।
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদী বলেন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ জীবন দিয়েছে। জুলাই বিপ্লবের মাস্টার মাইন্ড কেই নাই। যারা আন্দোলন করেছে তারাই মাস্টার মাইন্ড। যে দল বা ব্যাক্তি মাস্টার মাইন্ড সৃষ্টি করতে যাবে তাদের মুজিববাদের মতো পালিয়ে যেতে হবে।
প্রসঙ্গত,গত মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি)বিকেলে বইমেলার উদ্বোধন করেন শহীদ আবু সায়ীদের বাবা মকবুল হোসেন ও শহীদ ফেলানী খাতুনের বাবা নূর ইসলাম।বইমেলায় ৪০টি স্টল অংশ করে। বইমেলায় আলোচনা সভা, লেখক-পাঠক আড্ডা, আবৃত্তি, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন ছিলো। শেষ দিনে বইমেলায় উপচে পড় ভিড় ছিলো।অনুষ্ঠানে ইনকিলাব মঞ্চের পক্ষে থেকে জুলাই বিপ্লবের গ্রাফিতি গাইল দুটি এ্যালবাম বেরোবিকে হস্তান্তর করেন। বই মেলার প্রতিটি স্টল পরিদর্শন করেন তিনি।