মেলায় সৈয়দপুরসহ আশপাশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীরা অংশগ্রহণ করে। উন্মুক্ত কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অপু বিশ্বাস, জনাব আমিরুল ও তানভির হাসান। এছাড়া মেলা উদযাপন কমিটির সহ-সভাপতি শরিফুল ইসলাম সাজু, শাউন রেজা মাহমুদ, মো. মিজানুর রহমান, ইকবাল হোসেন, রেজা মাহমুদ ও কামরুজ্জামান শাউন উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিযোগিতার অংশ হিসেবে কয়ানিজপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র মঈজ ফুয়াদ কবিতা আবৃত্তি করে। বইমেলায় প্রায় ৫০টিরও বেশি স্টল অংশ নেয়, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল মহিলা পাঠাগার, বই কানন, লাইব্রেরিয়ান, হাসান লাইব্রেরি, উত্তরা হাউজ ও সতীর্থ গ্রন্থকুঠি। দেশি-বিদেশি ভাষার বিভিন্ন বিষয়ে বই এখানে স্থান পেয়েছে।
মেলায় দর্শনার্থীদের ব্যাপক সমাগম ছিল। অনেকেই বই কেনার পাশাপাশি সেলফি তোলা, ফুল কেনা ও খাবারের দোকানে ভিড় করেন। অভিভাবকরাও তাদের ছোটদের প্রতিযোগিতায় নাম নিবন্ধন করানোর ব্যাপারে আগ্রহ দেখান, যা উপস্থিত দর্শকদের আনন্দিত করে। এ আয়োজনকে সফল করতে পুবালী স্কাউট স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করেছে।
উদ্যোক্তারা জানান, বইমেলাটি শুধু বই কেনা-বেচার জন্য নয়, এটি একটি বিনোদন ও সাংস্কৃতিক মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে। তারা ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে এই মেলা আয়োজনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন। উপস্থিত দর্শক ও অংশগ্রহণকারীরা এই উদ্যোগকে দেশের সংস্কৃতি সংরক্ষণের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেন।