রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২
সর্বশেষ বিশেষ সংবাদ জাতীয় সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন বাণিজ্য লাইফস্টাইল আইন-আদালত মতামত অন্যান্য
/ সারাদেশ

গরুর খড় খাওয়া নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১২, অবরুদ্ধ পরিবারকে উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী


প্রকাশ :

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় গরুর খড় খাওয়া রিয়ে দু‘পক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ ১২ জন আহত হয়েছেন।  মঙ্গলবার(১৯ নভেম্বর)সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার বড়বিল ইউনিয়নের নগরবন্দ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।আহতদের পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় উদ্ধার করে গঙ্গাচড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। গঙ্গাচড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল এমরান এ সব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আহতরা হলেন, গঙ্গাচড়ার নগরবন্দ গ্রামের আলেফ মিয়া (৪০),রুবেল মিয়া (২১), হাজেরা বেগম (৬৫), হজরত আলী (২৪), আমিনুর ইসলাম (৬৭) জহুরা বেগম কল্পনা (৩৬) আলেমা বেগম (৬০), জেসমিন খাতুন (২৩), সাজে বেগম (৩৮), সুইটি (৪০), আলমগীর (৪৫) ও কুদ্দুস মিয়া (১৭)।

এলাকাবাসী জানায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে নগরবন্দ গ্রামের হাসেন আলীর বাড়ির উঠানে ধানের খড়ের গাদার কিছু খড় পাশের বাড়ির আলেফ মিয়ার একটি গরুর বাছুর খায়।দেখে হাসেন আলীর স্ত্রী সুইটি বেগম আলেফ মিয়ার স্ত্রীকে খারাপ ভাষায় গালি দেয়। আলেফ মিয়ার স্ত্রী পাল্টা বকাবাদ্যি করলে ঝাড়ু হাতে তাকে মারার জন্য সুইটি তাদের বাড়ির উঠানে যায়। পাশে দাঁড়িয়ে থাকা আলেফ মিয়ার কিশোর ছেলে লাঠি দিয়ে সুইটির মাথায় আঘাত করলে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন সুইটি বেগম।

স্থানীয়রা এসে ঘটনার বিস্তারিত শুনে আলেফ মিয়ার পরিবারকে আক্রমণ করে।এসময় দুপক্ষের সংঘর্ষে ১১ জন আহত হন। এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে আলেফ মিয়ার পরিবারকে তাদের বাড়ির ভেতরে অবরুদ্ধ করে রাখে। খবর পেয়ে রাত ৮টার দিকে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে তাদের উদ্ধারের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়। রাত ৯টার দিকে সেনাবাহিনীকে খবর দেয়।সেনাবাহিনীর একটি দল পুলিশ সহ তাদের উদ্ধার করে গঙ্গাচড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

গঙ্গাচড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক আসাদুজ্জামান জুয়েল জানান, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৭ জন ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

রংপুরের গঙ্গাচড়া মডেল থানার ওসি আল এমরান আজকের পত্রিকাকে বলেন, খবর পেয়ে দ্রæত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অবরুদ্ধ পরিবারটিকে উদ্ধারের চেষ্টা করি। কিন্তু এলাকাবাসীর ক্ষোভের মুখে সেনাবাহিনীর সহযোগিতা নিয়ে পরিবারটির লোকজনকে উদ্ধার করতে হয়। দুই পক্ষের প্রায় ১২-১৩ জন আহত হয়েছে।অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে নেব।