রাজারহাটে ষাটের দশকে নির্মিত ঝুঁকিপুর্ণ রেলস্টেশন ভবনে চলছে যাত্রী সেবা কার্যক্রম।জরাজীর্ণ ভবনটি ১৯৬৫সালে নির্মিত হয়েছে।ঝুঁকিপুর্ণ ভবনটির দেয়ালে ফাটল, ভবনের কক্ষের ভিতরে ঢালাই ধ্বসে বেড়িয়েছে বাঁশের চাটাই। স্টেশন ভবনের আশপাশে ময়লা আবর্জনার স্তুুপের দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ যাত্রী ও পথচারী।দেশের বিভিন্ন রেলওয়ে স্টেশন রিমডেলিং এর কাজ হলেও বেহাল অবস্থায় রয়েছে রাজারহাট রেলস্টেশনটি।
জরাজীর্ণ ভবন আর প্লাটফর্মহীন স্টেশনটির উপর দিয়ে চারটি আন্তঃনগরসহ মোট আটটি ট্রেন চলাচল করে। রাজারহাটবাসী দীর্ঘদিন ধরে নতুন স্টেশন ভবন ও প্লাটফর্ম নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের নিকট। ট্রেন যাত্রী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, বর্ষাকালে স্টেশনভবনটি পানিবেষ্টিত হয়ে থাকে, ভবনের ছাঁদ থেকে পানি চুঁইয়ে পরে। এছাড়া প্লাটফর্ম না থাকায় বয়স্ক মানুষ, মহিলা এবং শিশুদের জন্য ট্রেনে ওঠা নামা বেশ কষ্টকর ব্যাপার হয়।
তিস্তাগামী যাত্রী আঞ্জুয়ারা বলেন, স্টেশনে বসে থাকা যায়না দুর্গন্ধের জন্য, ট্রেনে উঠতে কষ্ট, নেই প্লাটফর্ম। রংপুরগামী যাত্রী শাহাজালাল বলেন, স্টেশনে প্রস্রাব পায়খানার দুর্গন্ধে ট্রেনের জন্য বসে থাকা যায়না, প্লাটফর্ম না থাকায় ট্রেনে উঠতেও ঝুঁকি নিতে হয়। একই অভিযোগ করেন যাত্রী শামসুল হক পাটোয়ারী।
ফোনালাপে বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক আবদুস ছালাম জানান, আমরা রমনা লোকাল ট্রেন উদ্বোধনকালে রাজারহাট স্টেশন ভবন , প্লাটফর্ম পরিদর্শন করি। যেহেতু এটি বিক্লাস স্টেশন, লোকাল ট্রেন থামে যাত্রীরা উঠা-নামা করে, সেহেতু আমরা স্টেশনটাকে পুন: নির্মাণ করার জন্য ইতিমধ্যে রাজশাহী প্রধান প্রকৌশলী বরাবর একটি প্রস্তাবনা পাঠিয়েছি।টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে কাজ শুরু হবে। প্রধান প্রকৌশলী পশ্চিম দপ্তর টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবেন।