বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩
সর্বশেষ বিশেষ সংবাদ জাতীয় সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন বাণিজ্য লাইফস্টাইল লালমনিরহাট মতামত অন্যান্য

চরমপন্থার ঝুঁকি বাড়ার আশঙ্কা, আঞ্চলিক সহযোগিতার তাগিদ শেখ হাসিনার


প্রকাশ : (১৭ ঘন্টা আগে)
চরমপন্থার ঝুঁকি বাড়ার আশঙ্কা, আঞ্চলিক সহযোগিতার তাগিদ শেখ হাসিনার

বাংলাদেশে সন্ত্রাসী ও চরমপন্থী গোষ্ঠীগুলোর সম্ভাব্য তৎপরতাকে গুরুতর হুমকি হিসেবে দেখছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, এ ধরনের ঝুঁকিকে কোনোভাবেই অবহেলা করা উচিত নয়। একই সঙ্গে উগ্রবাদ মোকাবিলায় জাতীয় পর্যায়ের পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশ ভবিষ্যতে পাকিস্তানের মতো সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর আঞ্চলিক নিরাপদ আশ্রয়স্থলে পরিণত হতে পারে কি না, এমন প্রশ্নও করা হয়। জবাবে তিনি তার সরকারের সময় উগ্রবাদ ও সন্ত্রাস মোকাবিলায় নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন।

শেখ হাসিনা বলেন, তার সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার ছিল দেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা। এ জন্য গোয়েন্দা সক্ষমতা জোরদার, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যকর ভূমিকা এবং উগ্রবাদ প্রতিরোধের পাশাপাশি নাগরিক স্বাধীনতার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হয়েছিল।

তিনি আরও বলেন, উগ্রবাদী নেটওয়ার্ক কোনো নির্দিষ্ট দেশের সীমান্তের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। বিভিন্ন দেশের মধ্যে এসব গোষ্ঠীর যোগাযোগ ও মতাদর্শ ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই বাংলাদেশকে শুধু প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে আলাদা করে দেখলে সমস্যার সমাধান হবে না।

শেখ হাসিনার ভাষ্য, সন্ত্রাস ও উগ্রবাদ মোকাবিলায় দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে নিরাপত্তা সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি অর্থনৈতিক ও আঞ্চলিক যোগাযোগও গুরুত্বপূর্ণ। জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গোয়েন্দা সক্ষমতা ও আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার পাশাপাশি উগ্রবাদে জড়িয়ে পড়া ঠেকাতে সামাজিক পর্যায়েও উদ্যোগ প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এনডিটিভির ওই সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ফেরার পরিকল্পনা নিয়েও কথা বলেন। তিনি জানান, চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে ফেরার বিষয়ে তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং দেশে ফেরার পর আইনি পরিণতি মোকাবিলা করতেও প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন।

২০২৪ সালের আগস্টে ক্ষমতা ছাড়ার পর শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করছেন। ২০২৫ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশের একটি ট্রাইব্যুনাল তাকে অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড দেয়। শেখ হাসিনা ওই রায়কে প্রত্যাখ্যান করে বিচারপ্রক্রিয়াকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন। এসব দাবির বিষয়ে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অবস্থান আলাদাভাবে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

সূত্র: এনডিটিভি

বিজ্ঞাপন