রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় আলোচিত মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আদালতে হাজির করা হয়েছে।
রোববার (৭ জুন) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে তাদের ঢাকার আদালতে আনা হয়।
আজ ঢাকা মহানগর শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মাসরুর সালেকীনের আদালতে মামলার রায় ঘোষণা হওয়ার কথা রয়েছে।
এর আগে গত ৪ জুন রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত রায়ের জন্য এ দিন ধার্য করেন। মাত্র চার কার্যদিবসে মামলার বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
রায়কে কেন্দ্র করে আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের পাশাপাশি সাদা পোশাকে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদেরও দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে।
মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১৯ মে পল্লবীর বাসা থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসাকে কৌশলে নিজেদের কক্ষে নিয়ে যান স্বপ্না আক্তার। পরে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি করে আসামিদের কক্ষে শিশুটির মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার করেন। ঘটনাস্থল থেকে স্বপ্নাকে আটক করা হয় এবং পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় ২০ মে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন নিহত রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা। গত ১ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। পরদিন সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয় এবং ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। ৩ জুন আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানিতে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন আসামিরা।