সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) শাহ মোহাম্মদ মাহবুব বলেছেন, দেশের শতভাগ প্রতিবন্ধী ভাতা পাবেন। অর্থাৎ সকল ধরনের প্রতিবন্ধীর ভাতা নিশ্চিত করেছে সরকার।
তিনি আজ ১৯ মে সকালে ঢাকাস্থ ওয়াইডাব্লিউসিএ মিলনায়তনে রিসোর্স ইন্টিগ্রেশন সেন্টার (রিক) আয়োজিত আন্তঃপ্রজন্ম সংহতি, সামাজিক সুরক্ষা ও প্রবীণবান্ধব বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে নীতিনির্ধারণী বিষয়ক জাতীয় পরামর্শ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, প্রবীণ সংগঠনগুলোর মধ্যে আন্তঃদ্বন্দ্ব, অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের কারণে প্রবীণদের সার্বিক কল্যাণে অধিদপ্তর কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারছে না। বিরোধ নিষ্পত্তিতে সময় ব্যয় করতে হচ্ছে।
জার্মান ইকোনমিক কোঅপারেশন ও হেল্পএইজ জার্মানির সহযোগিতায় এই জাতীয় পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভাপতিত্ব করেন রিকের নির্বাহী পরিচালক আবুল হাসিব খান। কি-নোট উপস্থাপন করেন আইএসআইজিওপি প্রকল্পের জাতীয় সমন্বয়কারী তোফাজ্জল হোসেন মঞ্জু। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক ও লেখক আবু সাঈদ খান, নারীপক্ষের অ্যাডভোকেট কামরুন নাহার ও শিরিন আক্তার। বক্তব্য রাখেন ডা. শওকত হোসেন, অধ্যাপক ড. নুরুল হুদা, বীর মুক্তিযোদ্ধা এস এম শফিকুল ইসলাম কানু, বীর মুক্তিযোদ্ধা এস এম সিদ্দিকী, বীর মুক্তিযোদ্ধা কামাল উদ্দিন, ডা. আফরোজা বেগম, রফিকুল ইসলাম, রোটারিয়ান আনিসুর রহমান ও মাকসুদুর রহমান প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন রিকের জেনারেল ম্যানেজার আলাউদ্দিন খান।
কি-নোটের ভূমিকায় বলা হয়, বাংলাদেশের জনসংখ্যাগত কাঠামোর দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে। উন্নত স্বাস্থ্যসেবা, আয়ুষ্কাল বৃদ্ধি এবং সামাজিক পরিবর্তনের ফলে দেশে প্রবীণ জনগোষ্ঠীর সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। এরই ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশ দ্রুত একটি বয়স্ক সমাজে রূপান্তরিত হচ্ছে। ২০৩০ সালের মধ্যে প্রবীণ জনগোষ্ঠী বাংলাদেশের উন্নয়ন পরিকল্পনার একটি কেন্দ্রীয় বিষয় হয়ে উঠবে।
সম্মিলিত আহ্বানে বলা হয়েছে, প্রবীণবান্ধব বাংলাদেশ গড়তে প্রয়োজন এক নতুন সামাজিক চুক্তি। সেখানে প্রবীণকাল হবে মর্যাদাপূর্ণ, সামাজিক সুরক্ষা হবে অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং তরুণ ও প্রবীণ হবে উন্নয়নের অংশীদার। কেউ পিছিয়ে থাকবে না। গড়ে তুলতে হবে আন্তঃপ্রজন্মভিত্তিক একটি সামাজিক আন্দোলন।