গাইবান্ধায় চাঞ্চল্যকর পত্রিকা বিক্রেতা ও অটো মিশুক চালক হত্যা মামলার ৪ জন আসামী গ্রেফতার হয়েছে। র্যাব-১৩ এর অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে।শুক্রবার(২মে) সকাল-১০ টায় র্যাব- ১৩ এর কার্যালয়ে এক প্রেসব্রিফিংএ তথ্য নিশ্চিত করেন অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মোহাঃ জয়নুল আবেদীন।
প্রেসব্রিফিংএ অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মোহাঃ জয়নুল আবেদীন বলেন, গত ২৫ এপ্রিল গাইবান্ধা জেলায় অটো মিশুক চালক ও পত্রিকা বিক্রেতা আনিছুর রহমান ওরফে ঠান্ডা মিয়াকে অজ্ঞাতনামা দুস্কৃতকারীরা ছুরিকাঘাতে মারাত্নকভাবে আহত করে মুমুর্ষু অবস্থায় গাইবান্ধা শহরের স্টেডিয়াম সংলগ্ন পিডিবি নেসকো-১ অফিসের গেটের পাশে ফেলে রেখে যায় এবং অটো মিশুকটি ছিনতাই করে নিয়ে যায়। তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে গত ২৫ এপ্রিল সকাল ৯টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। পরবর্তীতে নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে গাইবান্ধা সদর থানায় একটি দস্যুতাসহ হত্যা মামলা করেন। এই বিষয়ে র্যাব-১৩ এর একাধিক টিম ছায়া তদন্তে নামে এবং মামলার ঘটনায় জড়িতদেরকে প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করতে সক্ষম হয়। এরই ধারাবাহিকতায় তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১৩, সিপিসি-৩, গাইবান্ধা ক্যাম্পের একটি চৌকস আভিযানিক দল পহেলা মে রাতে অভিযান চালিয়ে গাইবান্ধার বিভিন্নস্থান থেকে ৪ জন আসামীকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃতরা হলো গাইবান্ধা সদরের মৃত খলিল মিয়ার ছেলে কবির অঅলম(৪০) একই এলাকার আসলাম মিয়ার ছেলে মোঃ রাসেল মিয়া (২৮) , সাদুল্লাহপুরের আনিছুর রহমানের ছেলে মোঃ শহিদুল ইসলাম ওরফে বাবু (৪০), একই উপজেলার মোসলেম উদ্দিন মন্ডলের ছেলে মোঃ রাশেদ মন্ডল (৪২)। আসামী রাশেদ মন্ডলের গ্যারেজ থেকে ছিনতাইকৃত অটো মিশুকটি উদ্ধার করা হয়।ধৃত আসামীদের বিরুদ্ধে চুরি, ছিনতাই, দস্যুতা, মাদকসহ থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। এর আগে ২৭ এপ্রিল এই হত্যা মামলার অন্যতম আসামি আরিফ মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়।