সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, জব ফেয়ারের মাধ্যমে মানুষের চিন্তা ও মনোজগতে পরিবর্তন আসবে। কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হলে একজন ব্যক্তি নিজে স্বাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি অন্যদেরও কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিতে পারেন। এর মাধ্যমে ব্যক্তি ও পরিবারের আর্থিক সচ্ছলতা নিশ্চিতের সুযোগ তৈরি হয়।মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকালে দিনাজপুরের বিরামপুর সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণে প্রথমবারের মতো আয়োজিত ‘জব ফেয়ার দিনাজপুর-২০২৬’-এর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, জব ফেয়ারে কর্মসংস্থানের সুযোগ তাৎক্ষণিকভাবে দৃশ্যমান না হলেও সময়ের সঙ্গে তা ব্যাপক প্রভাব ফেলতে পারে। এই ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে মানুষের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি পরিবার ও সমাজের আর্থিক অবস্থার উন্নয়ন সম্ভব।তিনি চাকরিপ্রার্থীদের উদ্দেশে বলেন, শুধু চাকরি পাওয়ার লক্ষ্য নিয়ে মেলায় অংশ নিলে হবে না; সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম, পণ্য ও ব্যাবসা সম্পর্কেও জানতে হবে। অন্যদিকে, নিয়োগদাতাগণকে চাকরিপ্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও দক্ষতা বিবেচনায় নিয়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে গুরুত্ব দিতে হবে।বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিনা খাতুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর হোসেন, দিনাজপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য এ জেড এম রেজওয়ানুল হক, দিনাজপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মোফাজ্জল হোসেন, জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলাম এবং দিনাজপুরের পুলিশ সুপার জেদান আল মুসা।
এ ছাড়া বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।উল্লেখ্য, দিনাজপুরে প্রথমবারের মতো আয়োজিত এই চাকরির মেলায় দেশি-বিদেশি প্রায় ৮০টি প্রতিষ্ঠানে প্রায় ২৫ হাজার চাকরি প্রত্যাশী সরাসরি সাক্ষাৎকার দেওয়ার সুযোগ হয়। এরমধ্যে তাৎক্ষণিকভাবে শতাধিক চাকরিপ্রার্থী চাকরি লাভ করেন।