লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় স্বামী অন্যত্র বিয়ে করার কারনে ভাতিজী জামাইয়ের কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় এক গৃহবধূ ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এবং বসতঘর ভাংচুরের অভিযোগ উঠেছে। নির্যাতন ও হুমকির মুখে বর্তমানে মেডিকেলে ভর্তি রয়েছেন ওই ভুক্তভোগী গৃহবধূ।
গত সোমবার রাতে উপজেলার পাটিকাপাড়া ইউনিয়ন পশ্চিম হলদিবাড়ি গ্রামের ভাতিজী জামাই মনিরুজ্জামান প্রায় এক বছর আগে থেকে ওই ভুক্তোভোগীর স্বামী না থাকায় বিভিন্নভাবে তাকে কুপ্রস্তাব দিতে থাকেন এবং রাত-বিরাতে উত্ত্যক্ত করেন। বিষয়টি পরিবারকে জানালেও কোনো প্রতিকার পাননি। পরে স্থানীয়দের কাছে অভিযোগ জানালে তাতে মনিরুজ্জামান ক্ষিপ্ত হয়ে
গৃহবধূ ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এবং বসতঘর ভাংচুরের করেন।
এবিষয়ে এলাকা বাসী পক্ষে লাভলী বেগম বলেন,মনিরুজ্জামান প্রায় তাকে (ভুক্তভোগী)নারীকে ডিস্টার্ব করেন এবং আজ তাকে মারধোর করে ঘরবাড়ি ভাংচুর করে টাকা পয়সাসহ কিছু জিনিস নিয়ে যায়।
এবিষয়ে অভিযুক্ত মনিরুজ্জামানের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে বলেন,সবকিছুই মিথ্যা বরংচ
আমার বউকে তারা উল্টো মেরে মাথা ফেটে দেন।
ভুক্তভোগী ওই নারী বলেন, দেড় বছর আগে স্বামী অন্যত্রে বিয়ে করলে ২০২৪ সালে ওই শাশুড়ির সংগে অনৈতিক সম্পর্ক করে ভিডিও করেন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িযে দেন।পরে ওই শাশুড়ী নারী শিশু ধর্ষন ও পর্ন গ্রাফি আইনে মামলা করলে এবং র্যার তাকে গ্রেফতা করে জেলে হাজতে পাঠায়।জামিনে বের হয়ে এসে সে একই ভাবে আমাকে ফাঁদে ফেলতে না পেরে গতকাল আমাকে নির্যাতন ও বাড়িঘর ভাংচুর করে। ভুক্তভোগী পরিবার থানা ৫ জনের নাম উল্লেক্ষ করে একটি অভিযোগ দ্বায়ের করেন।
এবিষয়ে হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুজ্জান সরকার বলেন, অভিযোগটি পেয়েছি তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
লালমনিরহাটে নকল কসমেটিক্সের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট
২১ ঘন্টা আগে